Union Budget 2026: চলতি অর্থবর্ষের আয়, ব্যয়ের হিসাবে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী!
Union Finance Minister Nirmala Sitharaman: অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সামাজিক অগ্রাধিকার ক্ষুণ্ণ না করেই দায়িত্বশীল আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অটল সরকার। কেন্দ্রের লক্ষ ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে দেশের ঋণ ও জিডিপির অনুপাত ৫০ শতাংশের আশেপাশে নামিয়ে নিয়ে আসা। এবারের বাজেটেই অনুমান করা হচ্ছে এই অনুপাত আগের তুলনায় কমে দাঁড়াবে ৫৫.৬ শতাংশে।

প্রথা মেনে ১ ফেব্রয়ারিই সংসদে বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। আর এই বাজেটেই তিনি কেন্দ্রের সরকারের একাধিক বিষয়ও তুলে ধরলেন। একদিনে যেমন বললেন ফাইন্যান্স কমিশনের কথা। তেমনই তাঁর মুখে শোনা গেল ফিসক্যাল কনসলিডেশনের কথাও। এ ছাড়াও বাজেট নিয়ে সরকারের অবস্থানগুলোও তুলে ধরেন তিনি।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান ১৬তম ফাইন্যান্স কমিশন তাদের রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিয়েছে। সংবিধানের ২৮১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই রিপোর্ট পেশ কর হবে সংসদেও। কমিশনের সুপারিশ মেনে কেন্দ্র কর বন্টনের হার অপরিবর্তিত রেখেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে রাজ্যগুলোর জন্য ১ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সামাজিক অগ্রাধিকার ক্ষুণ্ণ না করেই দায়িত্বশীল আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অটল সরকার। কেন্দ্রের লক্ষ ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে দেশের ঋণ ও জিডিপির অনুপাত ৫০ শতাংশের আশেপাশে নামিয়ে নিয়ে আসা। এবারের বাজেটেই অনুমান করা হচ্ছে এই অনুপাত আগের তুলনায় কমে দাঁড়াবে ৫৫.৬ শতাংশে। এতে কমবে সুদের খরচ এবং অগ্রাধিকারমূলক খাতে ব্যয়ও বাড়বে।
রাজকোষের ঘাটতি ইতিমধ্যেই নামিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে ৪.৫ শতাংশের নীচে। ২০২৫-২৬ অর্থ বছর শেষ হতে হতে এই ঘাটতি নেমে আসবে ৮.৩ শতাংশে, এমনই আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়াও ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে তা নেমে আসতে পারে ৪.৩ শতাংশে। আগামী অর্থ বছরে ঋণ বাদ দিয়ে আয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৩৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা। মোট ব্যয় হিসাব করা হয়েছে ৫৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা ও মোট কর আদায় ২৮ লক্ষ ৭০ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।
