Adani-Mayo Clinic Tie Up: মায়ো ক্লিনিকের সঙ্গে চুক্তি, আহমেদাবাদ ও মুম্বইয়ে হেলথ সিটি তৈরি করতে চলেছে আদানি গোষ্ঠী!
Adani Health City: আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি গোটা দেশের শহরে শহরে এই ধরণের আরও আদানি হেলথ সিটির পরিকল্পনা করছেন বলে জানাচ্ছে সংস্থা। হেলথ সিটি তৈরিতে বিশ্বের বৃহত্তম নন প্রফিট মেডিক্যাল গ্রুপ মায়ো ক্লিনিক চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করবে।

দেশের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিপ্লবে এবার সামিল হতে চলেছে আদানি গোষ্ঠী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক সংস্থা মায়ো ক্লিনিকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে তারা তৈরি করতে চলেছে আদানি হেলথ সিটি। যেখানে বিশ্বমানের চিকিৎসা সংক্রান্ত গবেষণা এবং কম খরচে চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। সোমবার এই ঘোষণা করেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি।
ঘোষণা অনুযায়ী আদানি হেলথ সিটির প্রথম ২টি ক্যাম্পাস তৈরি হতে চলেছে আহমেদাবাদ ও মুম্বইয়ে। সেখানে ১০০০ শয্যার মাল্টি-সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করা হবে। এই ক্যাম্পাস দুটো তৈরি করতে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা আনুদান দেবে আদানি পরিবার। গৌতম আদানি তাঁর ছেলের বিয়েতে মোট ১০ হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন সামাজিক খাতে অনুদান করবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন। আর এই ৬ হাজার কোটি টাকা সেই ১০ হাজার কোটির অনুদানের মধ্যে থেকেই দেবে আদানি পরিবার।
আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি গোটা দেশের শহরে শহরে এই ধরণের আরও আদানি হেলথ সিটির পরিকল্পনা করছেন বলে জানাচ্ছে সংস্থা। “মায়ো ক্লিনিকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আদানি হেলথ সিটি শুরু করতে পেরে গর্বিত। এখানে চিকিৎসা সংক্রান্ত বিশ্বমানের গবেষণা এবং কম খরচে চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে”, এক্স মাধ্যমে পোস্ট করে বলছেন তিনি।
আদানি হেলথ সিটি তৈরিতে বিশ্বের বৃহত্তম নন প্রফিট মেডিক্যাল গ্রুপ মায়ো ক্লিনিক চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করবে। যে ক্যাম্পাস তৈরি হবে, সেখানের হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ বছরে ১৫০ জন এমবিবিএস ডাক্তার ও ৮০-এর বেশি রেসিডেন্ট ডাক্তার নেবে। এ ছাড়াও সেখানে একাধিক উন্নতমানের গবেষণার সুবিধা ও চিকিৎসার সুব্যবস্থা থাকবে।
আদানি হেলথ সিটির প্রথম লক্ষ্য হল আর্থ-সামাজিক অবস্থা না দেখে সব মানুষের সেবা করা, আগামী প্রজন্মের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, গবেষণা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বায়োমেডিক্যাল ইনফরম্যাটিক্সের উপর ফোকাস করা। মায়ো ক্লিনিক পৃথিবীর যে দেশের থাকুক না কেন, তারা সেই দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রদানকারী সংস্থাদের সঙ্গে তারা তাদের চিকিৎসাগত দক্ষতা ভাগ করে নেয়।
