AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Adani Letters to Bangladesh: টাকা না-দিলে নামবে আঁধার, ইউনূসের বিদায়বেলায় বাংলাদেশে চিঠি আদানির

Bangladesh News: এই মোট অঙ্কের মধ্য়ে গতবছরের জুন পর্যন্ত বকেয়া বাবদ ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৩২ লক্ষ মার্কিন ডলার। পাশাপাশি, অক্টোবর পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিষেবা প্রদানের জন্য় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৯৬ লক্ষ ডলার। এই অঙ্ক নিয়ে একাধিকবার তাগাদা দেওয়া হলেও, তা পরিশোধ করতে পারেনি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বোর্ড।

Adani Letters to Bangladesh: টাকা না-দিলে নামবে আঁধার, ইউনূসের বিদায়বেলায় বাংলাদেশে চিঠি আদানির
প্রতীকী ছবিImage Credit: Getty Image | Gemini
| Updated on: Feb 08, 2026 | 2:48 PM
Share

ঢাকা: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়বেলায় চিঠি পাঠাল আদানি গোষ্ঠী। যার জেরে আবার প্রকাশ্য়ে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে চলা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) আর্থিক সংঘাত। যে মামলার নিষ্পত্তি হয়নি আজও। সম্প্রতি বকেয়া মেটানোর দাবিতে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বোর্ডকে চিঠি পাঠিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। বকেয়া শোধ না হলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তাঁরা।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৯ জানুয়ারি, পিডিবি-র চেয়ারম্যানকে এই বকেয়া-সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন আদানি পাওয়ার লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট অবিনাশ অনুরাগ। তাতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ১১ কোটি ২৭ লক্ষ মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ১ হাজার কোটি টাকার অধিক) দ্রুত পরিশোধ করতে হবে।

এই মোট অঙ্কের মধ্য়ে গতবছরের জুন পর্যন্ত বকেয়া বাবদ ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৩২ লক্ষ মার্কিন ডলার। পাশাপাশি, অক্টোবর পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিষেবা প্রদানের জন্য় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৯৬ লক্ষ ডলার। এই অঙ্ক নিয়ে একাধিকবার তাগাদা দেওয়া হলেও, তা পরিশোধ করতে পারেনি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বোর্ড। তাই চিঠিতে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে আদানি গোষ্ঠী জানিয়ে দিয়েছে, বকেয়া বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ উৎপাদন ধরে রাখতে নানাবিধ চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। তাই বকেয়া না-পেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত অংশীদারদের চাপে পড়তে হতে পারে।

গতবছর বকেয়া পরিশোধের জন্য় এমনই একটি চিঠি দিয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। পিডিবিক ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল তাঁরা। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, টাকা না-মিললে ১১ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। তাই সেই মাসে আদানিকে ১০ কোটি মার্কিন ডলার দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ডিসেম্বর থেকে সেই বকেয়া আবার বাড়তে শুরু করে। অন্যদিকে পুরনো বকেয়াও সম্পূর্ণ পরিশোধ হয়নি। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অবস্থা কার্যত ভাঁড়ে মা ভবানী।