EPFO Update: EPF-র জন্য মাসে ১৮০০ টাকা করে কাটবে এবার, মাসিক বেতন কি কমে যাবে?
EPF Contribution: এতদিন পর্যন্ত বহু কোম্পানি কর্মীদের বেসিক বেতনের উপরে ভিত্তি করে পিএফের অনুদান হিসাব করত। ১৫ হাজার টাকার বেশি বেতন হলেও, ইচ্ছামতো পিএফের হিসাব করা হত। এরফলে অনেক সময়ই দেখা যেতে কোনও কোনও কর্মীর পিএফ বাবদ ৫ হাজার বা ১০ হাজার টাকা করে কাটা হত।

নয়া দিল্লি: লক্ষ লক্ষ কর্মীর বেতন কাঠামোয় খুব শীঘ্রই সূক্ষ পরিবর্তন আসতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকার নতুন এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম ২০২৬ (Employees Provident Fund 2026)-র ঘোষণা করেছে। প্রায় সাত দশক পুরনো ইপিএফ (EPF) স্কিম, যা ১৯৫২ সালে শুরু হয়েছিল, তার পরিবর্তে নতুন পিএফ কাঠামো (PF Structure) চালু হচ্ছে। এতে বেতনের সীমা ও অনুদান বা কন্ট্রিবিউশনের (Contribution) হারে বিশেষ কোনও পরিবর্তন না করা হলেও, এমন কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে সরাসরি কর্মী ও সংস্থায় প্রভাব পড়তে পারে।
ইপিএফের নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, এবার থেকে সকল কর্মীদের পিএফে কন্ট্রিবিউশন মাসে ১৮০০ টাকা করে ধার্য করা হয়েছে। তবে কর্মীরা চাইলে এর থেকে বেশি টাকাও জমা রাখতে পারেন। সেক্ষেত্রে স্বেচ্ছায় এই অনুদান দিতে হবে এবং কর্মী ও সংস্থা উভয়কেই রাজি হতে হবে। এতে বহু কর্মীই উপকৃত হবেন। তাদের হাতে পাওয়া বেতন কিছুটা হলেও বাড়তে পারে।
নতুন নিয়মেও ইপিএফে কন্ট্রিবিউশনের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ১২ শতাংশ করেই কর্মী ও সংস্থা পিএফ ফান্ডে টাকা রাখবে।
এতদিন পর্যন্ত বহু কোম্পানি কর্মীদের বেসিক বেতনের উপরে ভিত্তি করে পিএফের অনুদান হিসাব করত। ১৫ হাজার টাকার বেশি বেতন হলেও, ইচ্ছামতো পিএফের হিসাব করা হত। এরফলে অনেক সময়ই দেখা যেতে কোনও কোনও কর্মীর পিএফ বাবদ ৫ হাজার বা ১০ হাজার টাকা করে কাটা হত। তবে নতুন নিয়মে এই বেশি অনুদান বাধ্যতামূলক হবে না। ১৮০০ টাকা করেই কাটতে হবে। এর বেশি টাকা জমা দিতে চাইলে, কর্মী ও সংস্থা- উভয়েরই অনুমতির প্রয়োজন পড়বে।
সহজভাবে বলতে গেলে, কারোর বেসিক বেতন ২০ হাজার টাকা হলে যেমন মাসিক ১৮০০ টাকা করে কাটা হবে, তেমনই যিনি ৬০ হাজার টাকা বেতন পান, তার থেকেও ১৮০০ টাকা করে কাটা হবে।
