Crude Oil Price Hike: একদিনেই ৮ শতাংশ বেড়ে গেল তেলের দাম! মধ্যবিত্তের পকেট পুড়বে আবার?
Iran-US War Update: ডব্লুটিআই ক্রুড তেলের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেলে ৮৯.১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ৯৫ ডলারে পৌঁছেছে। সংঘাত যদি আরও বাড়ে, তাহলে তেলের দাম ফের একবার ১০০ ডলার পার করে যাবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নয়া দিল্লি: কিছুতেই মিটছে না দ্বন্দ্ব। দ্বিতীয় দফার শান্তি চুক্তি বৈঠকের আগেই ফের একবার একে অপরের উপরে হামলা শুরু করেছে ইরান-আমেরিকা (Iran-USA Clash)। আর তার প্রভাব সরাসরি পড়ছে সাধারণ মানুষের ঘরে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ, ইরান-আমেরিকার চলমান শান্তি চুক্তি ঘিরে অস্থিরতা তৈরি হতেই বিশ্ব বাজারে তেলের দাম (Oil Price Hike) একধাক্কায় ৮ শতাংশ বেড়ে গেল।
গত শনিবার ইরান হরমুজ প্রণালী খুললেও, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা ফের বন্ধ করে দেয়। এদিকে, আজ ওমান উপকূলের কাছে ইরানের কার্গো জাহাজে হামলা করেছে মার্কিন রণতরী। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বের হচ্ছিল জাহাজটি, তাকে মার্কিন বাহিনী দাঁড়াতে বললেও, জাহাজটি দাঁড়ায়নি। এরপরই ইউএসএস স্প্রুরান্স নামক মার্কিন রণতরী গাইডেড মিসাইল দিয়ে হামলা করে। আজ পাকিস্তানে ইরান-আমেরিকার শান্তি চুক্তি বৈঠক হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এই সব অস্থিরতার মধ্যে বিশ্ব বাজারে তেলের দামও বাড়ছে ফের একবার। ডব্লুটিআই ক্রুড তেলের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেলে ৮৯.১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ৯৫ ডলারে পৌঁছেছে। সংঘাত যদি আরও বাড়ে, তাহলে তেলের দাম ফের একবার ১০০ ডলার পার করে যাবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইরান-আমেরিকার সংঘাত যখন চলছিল, তখন অপরিশোধিত ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১২০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। পরে সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণার পর এবং হরমুজ প্রণালী খোলার খবর আসতেই তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮০ ডলারের কাছাকাছি চলে আসে।
বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়লে, স্বাভাবিকভাবেই আমদানি খরচ বাড়বে। ভারতে যেহেতু তেল ও জ্বালানির ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই আমদানি করা হয়, তাই অতিরিক্ত মূল্য দিতে হতে পারে। এর প্রভাব পড়বে সরাসরি নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর উপরে। দাম বাড়তে পারে পেট্রোল-ডিজেলের। জ্বালানির দাম বাড়লে সমস্ত পণ্যেরই দাম বাড়বে।
