LPG Shortage in Hotels: মিলছে না LPG সিলিন্ডার, এক-এক করে বন্ধ হচ্ছে হোটেল-রেস্তরাঁ! দেশজুড়ে আতঙ্ক

India Crude Crisis: যুদ্ধপরিস্থিতির জেরে কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে দেখা গিয়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের সংকট। শহর জুড়ে সমস্ত হোটেল-রেস্তরাঁ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। নেই গ্যাস, ফলত চড়বে না হাঁড়ি। বেঙ্গালুরুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, সিলিন্ডার না-মিললে আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে শহরের সমস্ত হোটেলগুলি সাময়িক ভাবে পরিষেবা বন্ধ করে দেবে।

LPG Shortage in  Hotels: মিলছে না LPG সিলিন্ডার, এক-এক করে বন্ধ হচ্ছে হোটেল-রেস্তরাঁ! দেশজুড়ে আতঙ্ক
প্রতীকী ছবিImage Credit source: Gemini

|

Mar 10, 2026 | 10:23 AM

নয়াদিল্লি: তৈল সংকটের মুখে ভারতকে পড়তে হবে না বলেই আশ্বাস দিয়েছিলেন পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ায় ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে পারদ চড়তেই আঁচ পড়া শুরু হয়ে গিয়েছে দেশের অন্দরেও। দু’পক্ষের আঘাত-প্রত্যাঘাতে ব্যাহত হয়েছে অপরিশোধিত তেলের আমদানি। আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্দ্ধমুখী জ্বালানি। ফলে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে রান্নার গ্যাসের। এই আবহে আচমকা বন্ধ হয়ে গিয়েছে সিলিন্ডার সরবরাহ। দেশের মূল মূল শহরগুলি থেকে উঠে আসছে এমন অভিযোগ।

যুদ্ধপরিস্থিতির জেরে কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে দেখা গিয়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের সংকট। শহর জুড়ে সমস্ত হোটেল-রেস্তরাঁ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। নেই গ্যাস, ফলত চড়বে না হাঁড়ি। বেঙ্গালুরুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, সিলিন্ডার না-মিললে আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে শহরের সমস্ত হোটেলগুলি সাময়িক ভাবে পরিষেবা বন্ধ করে দেবে। দেশের অন্যতম আইটি হাব বেঙ্গালুরু, পেশার স্বার্থে বিভিন্ন রাজ্যের মানুষ থাকেন ওই শহরে। যাদের মধ্যে একটা বড় অংশের রোজকার খাওয়া-দাওয়া নির্ভর করে থাকে এই হোটেলগুলির উপর। এই পরিস্থিতিতে এমন জরুরি পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে খেসারত দিতে হবে আমজনতাকেই।

অ্যাসোসিয়েশন তরফে আরও জানানো হয়েছে, তেল সংস্থাগুলি প্রাথমিকভাবে ৭০ দিনের জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ করেই সেই প্রতিশ্রুতিভঙ্গ করে সম্পূর্ণভাবে সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই আচমকা পট পরিবর্তনের নেপথ্যে ‘কালো বাজারির’ সম্ভবনাও দেখছেন একাংশ। তাই তড়িঘড়ি এই বিষয়ে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে বেঙ্গালুরু হোটেল অ্য়াসোসিয়েশন।

তবে এই পরিস্থিতি যে শুধু বেঙ্গালুরুর মধ্যে সীমিত রয়েছে তেমনটা নয়। তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাইয়েও একই আবহাওয়া। ২৪ ঘণ্টা হোটেল-রেস্তরাঁ চালানোর মতো জ্বালানির জোগান নেই তাঁদের কাছে। চেন্নাইয়ের হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম রবি বলেন, “এখানে প্রচুর হাসপাতাল, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এবং অফিস রয়েছে। যেখানে প্রতিদিন এই হোটেলগুলি খাবার সরবরাহ করে থাকে। যদি জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়, তা হলে ভীষণ বিপদ হয়ে যাবে। আমরা এই মর্মে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিও পাঠিয়েছি।” একই অবস্থা বাণিজ্য শহর মুম্বইয়েও। সেখানে ইতিমধ্যেই পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে ২০ শতাংশের অধিক হোটেল-রেস্তরাঁ। যদিও NRAI — যাঁরা হোটেল-রেস্তরাঁর একটি জাতীয় স্তরের অ্যাসোসিয়েশন, তাঁরা জানিয়েছে, কেন্দ্রের তরফে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধ করার কোনও নির্দেশিকা দেওয়া হয়নি। কিন্তু তৃণমূল স্তরে পরিস্থিতি একেবারে উল্টো।

Follow Us