Phone Battery Tips: বারবার ফোন চার্জ দিতে হচ্ছে? এই কয়েকটি সেটিংস বদলালেই কেল্লাফতে
Smartphone Battery Tips: স্মার্টফোনের ব্যাটারি সবথেকে বেশি খরচ হওয়ার অন্যতম কারণ ডিসপ্লে। তাই প্রথমেই ফোনের স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ব্রাইটনেস ব্যবহার না করাই ভাল। একইসঙ্গে স্ক্রিন টাইমআউট কমিয়ে দিতে পারেন। অর্থাৎ, ফোন ব্যবহার বন্ধ করার কতক্ষণ পর স্ক্রিন নিজে থেকে বন্ধ হবে, সেই সময় কমিয়ে ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড করে রাখতে পারেন।

নয়া দিল্লি: স্মার্টফোন (Smartphone) ব্যবহারকারীদের অন্যতম বড় সমস্যা ব্যাটারি ব্যাকআপ (Phone Battery Backup)। বিশেষ করে ফোন একটু পুরনো হলেই এই সমস্যা আরও বাড়তে থাকে। অনেকের ফোন দিনে দু’বার পর্যন্ত চার্জ দিতে হয়। তবে ফোন বা ব্যাটারি বদলানোর আগেই সেটিংসে কিছু পরিবর্তন করে দেখতে পারেন। এতে ব্যাটারির উপর চাপ কমতে পারে এবং চার্জ তুলনামূলক বেশি সময় ধরে রাখা সম্ভব।
স্ক্রিনের সেটিংসে বদল
স্মার্টফোনের ব্যাটারি সবথেকে বেশি খরচ হওয়ার অন্যতম কারণ ডিসপ্লে। তাই প্রথমেই ফোনের স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ব্রাইটনেস ব্যবহার না করাই ভাল। একইসঙ্গে স্ক্রিন টাইমআউট কমিয়ে দিতে পারেন। অর্থাৎ, ফোন ব্যবহার বন্ধ করার কতক্ষণ পর স্ক্রিন নিজে থেকে বন্ধ হবে, সেই সময় কমিয়ে ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড করে রাখতে পারেন। ফোনে ‘Always-On Display’ ফিচার চালু থাকলে প্রয়োজন না হলে সেটিও বন্ধ করে দিতে পারেন। এতে ব্যাটারির খরচ সামান্য কমবে।
ডার্ক মোড ব্যবহার করুন
ফোনে ডার্ক মোড বা নাইট মোড ব্যবহার করতে পারেন। ডার্ক মোড ব্যাটারির খরচ কমাতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি কম আলোয় এটি চোখের জন্যও তুলনামূলক আরামদায়ক হতে পারে।
রিফ্রেশ রেট কমিয়ে দিন
বর্তমানে অনেক স্মার্টফোনে ৯০Hz, ১২০Hz কিংবা তারও বেশি রিফ্রেশ রেট পাওয়া যায়। বেশি রিফ্রেশ রেটে স্ক্রলিং ও অ্যানিমেশন অনেক মসৃণ দেখায়। তবে এতে ব্যাটারির খরচও বাড়তে পারে।
ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়াতে ফোনের সেটিংসে গিয়ে রিফ্রেশ রেট কমিয়ে দিতে পারেন। প্রয়োজন হলে ৬০Hz ব্যবহার করলে ব্যাটারির উপর চাপ কমতে পারে।
কোন অ্যাপে বেশি ব্যাটারি?
ফোন ব্যবহার না করলেও বেশ কিছু অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকে। নোটিফিকেশন, লোকেশন, ডেটা সিঙ্ক-সহ বিভিন্ন কাজের জন্য সেগুলি ব্যাটারি ব্যবহার করতে থাকে। ফোনের ব্যাটারি সেটিংসে গিয়ে কোন অ্যাপ কত শতাংশ ব্যাটারি ব্যবহার করছে তা দেখে নিন। কোনও অ্যাপ অস্বাভাবিক বেশি ব্যাটারি ব্যবহার করলে তার ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাক্টিভিটি সীমিত করতে পারেন। দীর্ঘদিন ব্যবহার করেন না এমন অ্যাপ আনইনস্টল করে দেওয়াই ভালো।
কখন ফ্লাইট মোড ব্যবহার করবেন?
ধরুন এমন কোনও জায়গায় রয়েছেন, যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই। সেক্ষেত্রে ফ্লাইট মোড চালু রাখতে পারেন। বিশেষ করে দুর্বল নেটওয়ার্কের এলাকায় ফোন বারবার নেটওয়ার্ক খোঁজার চেষ্টা করলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হতে পারে। ফ্লাইট মোড চালু করলে বারবার নেটওয়ার্ক খোঁজার জন্য অতিরিক্ত ব্যাটারি খরচ হয় না। তবে একটাই সমস্যা ফ্লাইট মোড চালু থাকলে সাধারণ মোবাইল কল ও সেলুলার ডেটা ব্যবহার করা যাবে না।
