Tv9 Bangla Brands of Bengal: ‘কখনও ফ্রি, কখনও হাফ ফ্রি…’, প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যের খোঁজ রাখে শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজ
Santiniketan Medical College: ২০২০ সাল থেকে পথ চলা শুরু এই মেডিক্যাল কলেজের। যা দেশের প্রথম পিপি (PPP) মডেলে তৈরি এবং এনএমসি (NMC) অনুমোদন প্রাপ্ত স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান। মূলত বোলপুর ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া এবং প্রান্তিক মানুষের কাছে আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়াই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

কলকাতা: প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যের খোঁজ রাখে যারা। গ্রামবাংলার বুকে স্বাস্থ্য খাতে নজির তৈরি করছে শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। তাই তাঁদের এই পথচলাকেই ইতিহাসের দলিলে তুলে রাখল টিভি৯ বাংলাও। সংস্থার আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডস অব বেঙ্গল’ অনুষ্ঠানে শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের কর্তার হাতে তুলে দেওয়া হল বিশেষ পুরস্কার।
এদিন Excellence in Transforming Rural Health Care System — ক্যাটাগরিতে শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকে ‘সেরার সেরা’ বলে চিহ্নিত করেছে টিভি৯ বাংলা। ‘ব্র্যান্ডস অব বেঙ্গল’ অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে সেই সম্মান তুলে দেওয়া হয়েছে। এদিন হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট মলয় পিট বলেন, “যে কোনও স্বীকৃতি প্রত্যেকের কাজকে উৎসাহিত করে। আর এই ধরনের অনুষ্ঠান সেই কাজগুলিকেই মানুষের সামনে তুলে ধরে।”
উল্লেখ্য, ২০২০ সাল থেকে পথ চলা শুরু এই মেডিক্যাল কলেজের। যা দেশের প্রথম পিপি (PPP) মডেলে তৈরি এবং এনএমসি (NMC) অনুমোদন প্রাপ্ত স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান। মূলত বোলপুর ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া এবং প্রান্তিক মানুষের কাছে আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়াই এর প্রধান উদ্দেশ্য। প্রায় ২৫ একর জমির ওপর নির্মিত এই বিশালাকার ক্যাম্পাসে রয়েছে ওপিডি (OPD)-সহ ১ হাজার ১০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল। এখানে ইমার্জেন্সি, ক্রিটিক্যাল কেয়ার, উন্নত সার্জিক্যাল পরিষেবা, আইসিইউ (ICU), ম্যাটারনিটি এবং নিওনেটাল কেয়ারের মতো সমস্ত জরুরি পরিষেবাও রয়েছে।
প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই এই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল তৈরি। স্বাস্থ্যসাথীতে চিকিৎসা হয়, যাদের তারপরও টাকার প্রয়োজন হয়। পরিস্থিতি বুঝলে কিছুটা হয়ে যায় বিনামূল্যে। টিভি৯ বাংলার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সেই নিজ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল সম্পর্কে এমনই বললেন মলয় পিট। তাঁর কথায়, “আমি মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করি, ৭০টি মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছি। কিন্তু সবটাই রুরাল বেল্টে। এরপরে মেডিক্যাল কলেজ, এটা একমাত্র রোগী পরিষেবার জন্য করেছি।”
তাঁর সংযোজন, “স্বাস্থ্য পরিষেবায় — যার টাকা থাকুক বা না থাকুক, সবাই ভালো ট্রিটমেন্টের কথা ভাবে। যতটা গ্রাম বাংলায় অর্থনৈতিক নিরিখে ভালো ট্রিটমেন্ট দেওয়া যায়, সেটা দেওয়ার চেষ্টা করি। ১০ টাকার ওপিডি পরিচালনা করি এবং স্বাস্থ্যসাথী কার্ডেই সবটা হয়। আর যেটা না হয় সেটা কিছুটা ফ্রি, কিছুটা হাফ-ফ্রি হিসাবে চলে।”
