AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Calcutta High Court on polling officers: ‘বিচারকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করুন’, কেন কমিশনকে বলল হাইকোর্ট?

West Bengal assembly election 2026: কমিশনের যুক্তি শুনে বিচারপতি বলেন, "তার মানে আপনারা অযৌক্তিক বিজ্ঞপ্তি দেবেন, সেটাকেই মান্যতা দিতে হবে? তাহলে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে পাঠিয়ে দিচ্ছি, সেখানে গিয়ে কমিশন এই যুক্তি দিক। বিচারকদের এসআইআরে নিয়োগ করা হয়েছে বলে, এখানেও সেটা কাজে লাগানো হোক। চলে যান সুপ্রিম কোর্ট।"

Calcutta High Court on polling officers: 'বিচারকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করুন', কেন কমিশনকে বলল হাইকোর্ট?
কলকাতা হাইকোর্ট (ফাইল ফোটো)
| Edited By: | Updated on: Apr 16, 2026 | 9:52 PM
Share

কলকাতা: কলেজের অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ মামলায় নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাইকোর্ট। অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ আদালত। বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কমিশনকে বলেন, এবার বিচারকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করুন। ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে শুক্রবার এই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন বিচারপতি।

এদিন মামলার শুনানিতে কী হল?

কলেজের অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেখে এদিন কমিশনকে বিচারপতি বলেন, “আপনাদের বিজ্ঞপ্তি যা বলছে, তাতে আপনারা বিচারকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করুন। আপনারা যখন যেমন খুশি বিজ্ঞপ্তি দেবেন! আমি কোনও রসিকতা করছি না। আপনাদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী অপনারা তো বিচারকদেরও নিয়োগের ব্যবস্থা রেখেছেন। কোনও অসুবিধা নেই, আমাদের নিয়োগ করুন। আমরা পোলিং অফিসার হিসেবে বুথে ডিউটি করতে যাব। আপনারা নিজেদের যখন খুশি নিয়ম বদল করছেন। আর আপনাদের নিজেদের নথিই পরস্পরবিরোধী।”

বিচারপতির মন্তব্যের পর কমিশনের আইনজীবী যুক্তি দেন, “একেবারে ভোটের মুখে মামলা করা হয়েছে। এখন নতুন করে লোক নিয়োগ করে ট্রেনিং দিয়ে ভোট করানো সম্ভব নয়।” তা শুনে বিচারপতি বলেন, “এটা কোনও যুক্তি হতে পারে না। তাহলে আপনাদের নিজেদের কাজের স্বপক্ষে যথাযথ যুক্তি দিতে হবে। তাঁরা যদি ভোটের পরে মামলা করেন, তখন কোর্ট কী করবে? ফলে নিজেদের কাজের যুক্তি কমিশনকেই দিতে হবে। আপনাদের এইসব দেখেও যদি কোর্ট চোখ বন্ধ করে থাকে তাহলে অনিয়ম চলবে।”

এরপর কমিশনের তরফে বলা হয়, “এখন এই বিজ্ঞপ্তিতে হস্তক্ষেপ করলে ২৩টি জেলাতেই আমাদের নতুন করে নিয়োগ করতে হবে। এসআইআর কাজে জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগ করা হয়েছে। এই অবস্থায় এখানে কোর্ট হস্তক্ষেপ করলে গোটা নির্বাচন বন্ধ করে দিতে হবে।” কমিশনের যুক্তি শুনে বিচারপতি বলেন, “তার মানে আপনারা অযৌক্তিক বিজ্ঞপ্তি দেবেন, সেটাকেই মান্যতা দিতে হবে? তাহলে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে পাঠিয়ে দিচ্ছি, সেখানে গিয়ে কমিশন এই যুক্তি দিক। বিচারকদের এসআইআরে নিয়োগ করা হয়েছে বলে, এখানেও সেটা কাজে লাগানো হোক। চলে যান সুপ্রিম কোর্ট।”

আবেদনকারীদের তরফে আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, “কমিশন রিজার্ভে যে অফিসারদের রেখেছে, তাদের কাজে লাগাক। সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের নিজের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে কাজে লাগিয়েছে। সেই ক্ষমতা অন্য কোর্টের নেই।” শুনানি শেষে কমিশনকে ২৪ ঘণ্টা সময় দেন বিচারপতি। তিনি নির্দেশ দেন, আগামিকাল (শুক্রবার) এসে নিজেদের বিজ্ঞপ্তির ব্যাখ্যা দেবে কমিশন। একটা সুযোগ দেওয়া হল। না হলে কোর্ট নিজের রায় দেবে। প্রসঙ্গত, কলেজের অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে এদিন কমিশন কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।

Follow Us