AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Trump’s Tariff on Steel Import: কাজ হারিয়ে পথে বসতে পারেন দেশের হাজার হাজার মানুষ, ট্রাম্পের ২৫ শতাংশ করের বোঝার ভার পড়বে ভারতের ইস্পাত শিল্পের উপর!

Steel Imports: আমেরিকা ইস্পাতে কর বসালে কমতে পারে ভারতে আমদানিকৃত ইস্পাতের দামও। আর এর ফলে চাপ বাড়বে ভারতের ঘরোয়া উৎপাদনে। শঙ্কার কালো মেঘ ঘনাচ্ছে ভারতের ইস্পাত উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোর উপর।

Trump's Tariff on Steel Import: কাজ হারিয়ে পথে বসতে পারেন দেশের হাজার হাজার মানুষ, ট্রাম্পের ২৫ শতাংশ করের বোঝার ভার পড়বে ভারতের ইস্পাত শিল্পের উপর!
| Updated on: Mar 05, 2025 | 12:54 PM
Share

নির্বাচনে জিতে আসার পরই পারস্পরিক শুল্কের কথা ঘোষণা করেছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই মুহূর্তে ভারত কিছুটা চাপে পড়লেও পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর সেই বিষয়গুলোতে কিছুটা আশার আলো সঞ্চার হয়। কিন্তু এবার আমদানিকৃত ইস্পাত বা স্টিলে ২৫ শতাংশ কর বসানোর ঘোষণায় কিছুটা হলেও নড়েচড়ে বসেছেন ভারতের ইস্পাত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিবর্গ।

বেঙ্গালুরু থেকে দিল্লি, মুম্বই থেকে কলকাতা, এমন একাধিক ছোটছোট দোকান ও কারখানা রয়েছে যারা ভারতে তৈরি ইস্পাত দিতে নির্দ্বিধায় গাড়ির ভাঙা পার্টস থেকে রান্নাঘরের সিঙ্ক, সবই তৈরি করে দক্ষতার সঙ্গে। আর ট্রাম্পের এই কর বসানোর খবর সামনে আশায় তাদের মধ্যে অনেকেই আশাহত আবার অনেকেই বেশ খুশিও।

আমাদের দেশের ইস্পাত উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো ছাড়াও আরও এমন অনেক সংস্থা রয়েছে যারা বাইরের বিভিন্ন দেশ থেকে ইস্পাত আমদানি করে। আর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে সব সংস্থা বাইরে থেকে ইস্পাত আমদানি করে ট্রাম্পের শুল্কের কারণে ব্যবসায় তাদের লাভের পরিমাণ বাড়তে পারে। কারণ, চিন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশ আমেরিকায় ইস্পাত রফতানি করে। এবার তাদের রফতানিকৃত ইস্পাতে কর চাপলে তারা ইস্পাতের দাম কমিয়ে সেই করের মোকাবিলা করবে। আর এর ফলে সেই ইস্পাত বর্তমানের তুলনায় অনেক কম দামে ভারতেও আমদানি করতে পারবে অনেক সংস্থা।

যদিও এই কর চাপানোর খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইন্ডিয়ান স্টিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নবীন জিন্দাল। তিনি বলছেন, ইস্পাতের ক্ষেত্র হিসাব করলে ভারতের বাজারে বাণিজ্য করার জন্য কোনও সরকারি নিষেধাজ্ঞা বা বাড়তি করের সমস্যা নেই। ফলে এই বাজারে কমদামের ইস্পাত অতি সহজেই আমদানি করা যায়। আর এর মোকাবিলা করতে ছাঁটাই হতে পারে ইস্পাত কারখানাগুলোয়। এ ছাড়াও, ভারতীয় সংস্থাগুলোর পক্ষে পরিবেশ বাঁচিয়ে ইস্পাত উৎপাদন করা খুবই সমস্যার বিষয়।

ভারতের ইস্পাত কারখানাগুলো এখনও কয়লাচালিত ব্লাস্ট ফার্নেসের উপর নির্ভরশীল। উল্লেখ্য, গ্লোবাল এনার্জি মনিটরের তথ্য বলছে, ভারতের ১২ শতাংশের বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ইস্পাত কারখানাগুলো থেকেই নির্গত হয়। যদিও এই লড়াইটা অন্য হলেও ২০২৪-এর সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছিল পরিবেশ বাঁচিয়ে ইস্পাত উৎপাদনের ক্ষেত্রে তারা মোট ১.৭২ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার বা প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।

Follow Us