Rail Station: স্টেশনের নামের নীচে ‘হাইট’ লেখা থাকে দেখেছেন কখনও? কেন লেখা থাকে জানেন?
Railway: কোনও স্টেশনের নামের নীচে লেখা থাকে ওই স্টেশন সমুদ্রপৃষ্ঠের ৩৪৮ মিটার উপরে, কোনওটা ২২০ মিটার উপরে। এগুলো নিছক কোনও তথ্য নয়। এগুলি ইঞ্জিনিয়ারদের অনেক কাজে লাগে। পরিকল্পনা ও পরিষেবার কাজে লাগে এগুলি। ট্রেন সব জায়গায় সমতলের উপর দিয়ে ছোটে না, জমির উপর ভিত্তি করে ট্র্যাকেরও ওঠানামা আছে।

নয়া দিল্লি: দেশ জুড়ে রেলের নেটওয়ার্ক আরও বিস্তৃত হচ্ছে। বাড়ছে ট্রেন, বাড়ছে স্টেশন। ভারতীয় রেলের এই বিরাট নেটওয়ার্কে এমন অনেক তথ্যই আছে, যা আজও অজানা। ঠিক যেমন অনেক স্টেশনের নামের নীচে দেখা যায়, উচ্চতা উল্লেখ করা আছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কত উপরে ওই স্টেশন অবস্থিত, তা লেখা আছে। এই তথ্য কি এমনিই লেখা থাকে? নাকি এর কোনও বিশেষ গুরুত্ব আছে?
কোনও স্টেশনের নামের নীচে লেখা থাকে ওই স্টেশন সমুদ্রপৃষ্ঠের ৩৪৮ মিটার উপরে, কোনওটা ২২০ মিটার উপরে। এগুলো নিছক কোনও তথ্য নয়। এগুলি ইঞ্জিনিয়ারদের অনেক কাজে লাগে। পরিকল্পনা ও পরিষেবার কাজে লাগে এগুলি।
ট্রেন সব জায়গায় সমতলের উপর দিয়ে ছোটে না, জমির উপর ভিত্তি করে ট্র্যাকেরও ওঠানামা আছে। উচ্চতা জানা থাকলে ট্র্যাকের কাজ করতে সুবিধা হয় ইঞ্জিনিয়ারদের। উপরে ওঠার ক্ষেত্রে ট্রেনের ইঞ্জিনের পাওয়ার বেশি হতে হয়, আবার নীচের দিকে নামার ক্ষেত্রে ব্রেকিং কন্ট্রোল ভালো রাখতে হয়। এই উচ্চতা লেখা থাকলে নিরাপদে ট্রেন চালাতে সুবিধা হয়।
বিশেষত মালগাড়ির ক্ষেত্রে এই তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চতার সামান্য পরিবর্তনেই বড় প্রভাব পড়তে পারে মালগাড়িতে। জ্বালানি ও ইলেকট্রিসিটির ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাব পড়ে। এছাড়া এই তথ্য়ের উপর ভিত্তি করে ইঞ্জিনিয়াররা ট্র্যাকের মাঝে ব্রিজ বা টানেল তৈরি করে। এছাড়া উচ্চতার উপর ভিত্তি করে জল নিকাশি ব্যবস্থাও রাখতে হয়, যাতে স্টেশনে বা ট্র্যাকে জল না জমে যায়। তাই এই তথ্যের আদতে বিশেষ গুরুত্ব আছে।
