
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষ আজ, ১০ মার্চ প্রকাশ পেতে চলেছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল (Assembly Election Results 2022)। করোনাবিধি মেনেই চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই উত্তর প্রদেশ(Uttar Pradesh), উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand), পঞ্জাব(Punjab), গোয়া (Goa) ও মণিপুরে (Manipur) বিধানসভা নির্বাচন হয়। উত্তরাখণ্ড, গোয়া ও পঞ্জাবে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হলেও, মণিপুরে দুই দফা ও উত্তর প্রদেশে সাত দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। গত ৭ মার্চই উত্তর প্রদেশে শেষ দফার ভোটগ্রহণ হয়। আজ পাঁচ রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের ভাগ্য পরীক্ষা হবে, একইসঙ্গে আগামী পাঁচ বছর রাজ্যের শাসনভার কার হাতে থাকবে, তাও স্থির হয়ে যাবে এই ফলাফলের মাধ্যমেই। জাতীয় নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ সকাল ৮টা থেকে ভোটগণনা শুরু হবে।
পঞ্জাবে আম আদমি পার্টির জয়ের পর তাদের অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পঞ্জাবের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের তরফে প্রয়োজনীয় সবরকম সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
ভগবন্ত মান (ছবি- টুইটার)
পঞ্জাবে আপের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ভগবত সিং মান (Bhagwant Singh Mann) জয়ী হওয়ার পর জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পঞ্জাবের রাজভবনে হবে না। তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন নওয়ানশহর জেলার খটকরকলন গ্রামে। এই গ্রাম বিপ্লবী ভগৎ সিংয়ের পৈতৃক ভিটা। তিনি আরও জানিয়েছেন, নতুন সরকার গঠনের পর পঞ্জাবের কোনও সরকারি দফতরে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি থাকবে না।
বিস্তারিত পড়ুন : রাজভবনে নয়! ভগবন্ত মান মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন…
মণিপুরের নির্বাচনে ছয়টি আসন জিতে নিয়েছে নীতীশ কুমারের দল। ১০.৭৫ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছে জেডিইউ। ৬০ আসনের মণিপুর বিধানসভায় এবার অন্যতম প্রধান দল হিসেবে উঠে এল বিহারের শাসক দল। উল্লেখ্য, এর আগে অরুণাচল প্রদেশেও নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করেছে জেডিইউ।
ভরাডুবির পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একের পর এক টুইট উত্তর প্রদেশের কংগ্রেসের দায়িত্বে থাকা প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। পরাজয় স্বীকার করে নিয়ে লিখেছেন, দলের কঠিন পরিশ্রমকে শেষ পর্যন্ত ভোটে রূপান্তরিত করা যায়নি। প্রিয়ঙ্কা লিখেছেন, “নির্বাচন হল গণতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। আমাদের দলীয় নেতা ও কর্মীরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন, সংগঠন তৈরি করেছেন, আম জনতার ইস্যুর জন্য লড়াই করছেন। কিন্তুন আমরা সেই কঠোর পরিশ্রমকে শেষ পর্যন্ত ভোটে রূপান্তরিত করতে পারিনি।”
বিস্তারিত পড়়ুন : ‘দলের কঠোর পরিশ্রম ভোটে প্রতিফলিত হয়নি’, কংগ্রেসের ভরাডুবিতে সাফাই প্রিয়ঙ্কার
গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের দিকেও গোটা ভারতের নজর ছিল। এবার গোয়াতে কংগ্রেস, বিজেপি ছাড়াও তৃণমূল, এনসিপি, শিবসেনা, আম আদমি পার্টির মত দলগুলি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। গোয়াতে বিজেপি ২০ টি আসনে জয়ী হয়েছে। কংগ্রেস ৯ টি আসনে জয়ী হওযার পাশাপাশি ২ টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টি ও আম আদমি পার্টি ২ টি আসনে জিতেছে। গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি ও রেভিউলিশনারি গোয়া পার্টির দখলে ১ টি করে আসন গিয়েছে। গোয়াতে ৩ আসনে নির্দল প্রার্থীরা জিতেছে।
উত্তরাখণ্ডে বিজেপি সহজেই সরকার গড়বে। নিজে খাতিমা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ৬ হাজার ৯০০ ভোটে পিছিয়ে থাকলেও দলীয় সদর দফতরে এলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি।
ভোটে হেরে গিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রসে নেতা হরিশ রাওয়াত। ফল ঘোষণার পর নিজের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার জন্য এই ফল অপ্রত্যাশিত ছিল। ফল দেখে আমি বিস্মিত। বিপুল মুদ্রাস্ফীতির পর এটাই যদি মানুষের রায় হয় তবে সমাজ উন্নয়ন বা বিচারের সংজ্ঞা কী? আমি বুঝতে পারছি না এত কিছুর পরও মানুষ বিজেপি জিন্দাবাদ বলছে।”
পাঁচরাজ্যের নির্বাচনের ফলে গেরুয়া ঝড় বয়ে গিয়েছে। ততটাই খারাপ অবস্থা কংগ্রেসের। ভোটে ফল নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা জানিয়েছেন, “পাঁচ রাজ্যের ফলাফল কংগ্রেেসের জন্য অপ্রত্যাশিত তবে মেনে নিতে কোনও অসুবিধা নেই যে আমরা মানুষের আশীর্বাদ পাইনি। ফলাফল বিশ্লেষণের জন্য কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী খুব দ্রুত ফলাফল পর্যালোচনার জন্য় বৈঠকে বসবেন।”়
গোয়ার লাপাই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হলেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী বিশ্বজিৎ প্রতাপ সিং রানে। নিজের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রেভেলিউশনারি গোয়ান পার্টির প্রার্থী তুকারাম ভারতকে ৮ হাজার ৮৫ ভোটে পরাজিত করেছেন।
অলঙ্করণ: অভীক দেবনাথ
জয় নিশ্চিত। মুখ্যমন্ত্রীও স্থির হয়ে রয়েছে আগে থেকেই। হবু মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান এদিন জানালেন, তিনি রাজভবনে নয়, বরং ভগৎ সিংয়ের গ্রাম থেকে শপথ নেবেন।
উত্তরাখণ্ডে বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গেলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত। তিনি লালকুঁয়া কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।
গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে হার মেনে নিলেন কংগ্রেস প্রার্থী মাইকেল লোবো। তিনি বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম যে জিতব, কিন্তু সাধারণ মানুষদের মত মেনে নিতেই হবে। আমরা ১২টি আসন পেয়েছি, বিজেপি ১৮টি আসন পেয়েছে। আমরা বিরোধী হিসাবেই কাজ করব। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জনের জন্য কংগ্রেসকে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।”
লজ্জাজনক হার পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পঞ্জাব লোক কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা অমরিন্দর সিংয়ের। পাতিয়ালা কেন্দ্র থেকে তিনি ১৯ হাজার ৮৭৩ ভোটে হেরে গিয়েছেন তিনি।
পঞ্জাবে বিপুল ভোটে জয়ী হচ্ছে আম আদমি পার্টি। গোয়াতেও দুটি আসনে জয়ী হয়েছে আপ। দুই রাজ্যেই ভাল ফল করায়, দিল্লিতে হনুমান মন্দিরে পুজো দিতে গেলেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরীবাল। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মণীশ সিসোদিয়াও।
হেইগাঙ্গ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। নির্বাচন কমিশনের সূত্র অনুযায়ী, আপাতত তিনি ১৮ হাজার ২৭১ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। জয়ের পূর্বাভাস পেতেই ইম্ফলে তাঁর বাড়িতে নাচ-গান শুরু হল।
একসময় রাজনীতিবিদদের নিয়েই মজা-মস্করা করতেন তিনি, এবার নিজেই মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। পঞ্জাবে শুধু আপই নয়, ঝড় তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ভগবন্ত মান। সাঙ্গুরে তিনি মঞ্চে সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে উঠেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। মা হরপাল কৌরকে জড়িয়ে ধরেন তিনি।
পঞ্জাবে ক্ষমতায় আসতে চলেছে আম আদমি পার্টি। একইসঙ্গে গোয়াতেও তারা লড়েছেন। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন না করলেও, দুটি আসন দখল করতে পেরেছে। আম আদমি পার্টির এই জয়কে সৎ রাজনীতির শুরু বলে অ্যাখ্যা দিলেন আপ নেতা অরবিন্দ কেজরীবাল।
পঞ্জাবের জালালাবাদ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন শিরোমণি অকালি দলের সভাপতি সুখবীর সিং বাদল। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আপাতত তিনি ১০ হাজার ৫২৬ ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন।
গোয়ায় ৪০টির মধ্যে ১৯টি আসনেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। জয় প্রায় নিশ্চিত হতেই মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত বললেন, “এই জয়ের কৃতিত্ব দলীয় কর্মীদেরই। গোয়ায় বিজেপিই সরকার গঠন করবে।”
পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং একসঙ্গে দুটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে কোনও কেন্দ্রেই তিনি জিততে পারছেন না। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি ভাদৌর কেন্দ্র থেকে ২২ হাজার ৮৪৩ ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন এবং চমকৌর সাহিব কেন্দ্র থেকে ২৬৭১ ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন।
অলঙ্করণ: অভীক দেবনাথ।
গোয়ার ফল এখনও প্রকাশ হয়নি। তবে জয়ের খুব কাছাকাছিই রয়েছে শাসকদল বিজেপি। এই পরিস্থিতিতেই রাজ্যপালের সঙ্গে আলোপ-আলোচনা করতে যাচ্ছে বিজেপি।
উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, মণিপুর ও গোয়ায় এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। ফলঘোষণার আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়ে গেল বিজয় উৎসব। কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতেও বিজেপি সমর্থকদের হুল্লোড় দেখা গেল।
সকালে ভোট গণনার শুরু থেকেই পিছিয়ে রয়েছেন পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা অমৃতসরের প্রার্থী নভজ্যোৎ সিং সিধু। বেলা গড়াতেই তিনি টুইট করে হার মেনে নিলেন। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের কণ্ঠই ঈশ্বরের কণ্ঠ…. পঞ্জাবের মানুষদের রায়দান মাথা পেতে স্বীকার করে নিচ্ছি। আপ-কে অভিন্দন।”
কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গড়েও খুব একটা লাভ হল না ক্যাপ্টেনের। পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গেলেন পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। তিনি পাতিয়ালা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। বহু বছর ধরেই এই কেন্দ্র তাঁর গড় হিসাবে পরিচিত হলেও, এইবার তিনি হেরে গেলেন।
অলঙ্করণ: অবীক দেবনাথ
বাবা পিছিয়ে থাকলেও জয়ের কাছাকাছি মেয়ে। উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে প্রার্থী হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াতের কন্যা অনুপমা রাওয়াত। আপাতত লালকুলা কেন্দ্র থেকে হরিশ রাওয়াত পিছিয়ে থাকলেও, তার কন্যা এগিয়ে রয়েছেন অনুপমা রাওয়াত।
পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হচ্ছে। প্রতিটি রাজ্যেই আপাতত পিছিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে দিল্লিতে দলীয় কার্যালয়ের বাইরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করল কংগ্রেস কর্মীরা।
গোয়ায় এবারও বিজেপির ঝড় উঠবে বলেই আশাবাদী দলের নেতা বিশ্বজিৎ রাণে। তিনি বলেন, “আমরাই বিপুল ভোটে জয়ী হব। গোয়ার সাধারণ মানুষ ঠগ, বহিরাগতদের ত্যাগ করেছেন। ওনারা সেই দলের জন্যই ভোট করেছেন যারা গোয়ার সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছেন।”
ভোটগণনার প্রাথমিক পর্যায়েই পিছিয়ে রয়েছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেসের পদপ্রার্থী চরণজিৎ সিং চন্নি। এরপরই জল্পনা শুরু হয়েছে যে, ফলঘোষণার আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন তিনি।
দেবভূমি উত্তরাখণ্ডেও ধীরে ধীরে ভোটের ব্যবধান বাড়াচ্ছে বিজেপি। প্রথম দফার ভোট গণনার পর বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৪৫টি আসনে, কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ২১টি আসনে।
গোয়ায় জোর টক্কর শাসক দল বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে। ভোটগণনার প্রথম দুই ঘণ্টায় এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। ১৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস, বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ১৫টি আসনে।
পঞ্জাবে ভোটগণনার শুরু থেকেই এগিয়ে রয়েছে আম আদমি পার্টি এগিয়ে রয়েছে। ম্যাজিক সংখ্যা পার করতেই মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ভগবন্ত সিং মানের বাড়ির বাইরে সমর্থকদের উল্লাস দেখা গেল।
নভজ্যোৎ সিং সিধুর সঙ্গে বিরোধের জেরেই কংগ্রেস ছেড়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। তবে বিধানসভা নির্বাচনে আপাতত পিছিয়ে রয়েছে দুইজনই। একদিকে যেমন অমরিন্দর সিং পাতিয়ালা আসন থেকে পিছিয়ে রয়েছেন, তেমনই আবার নভজ্যোৎ সিং সিধুও পিছিয়ে রয়েছেন।
বুথ ফেরত সমীক্ষাই সত্যি হতে চলেছে পঞ্জাবে। ভোটগণনার শুরুতেই এগিয়ে রয়েছে আম আদমি পার্টি। ৫৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে আপ, কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৩৫টি আসনে। শিরোমণি আকালি দল এগিয়ে রয়েছে ২১টি আসনে। বিজেপি এগিয়ে রয়েছে মাত্র ৭টি আসনে।
মণিপুরেও ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। সকাল ৮টা থেকে ভোটগণনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২০টি আসনে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১৫টি আসনে।
সকালে কংগ্রেস এগিয়ে থাকলেও, ধীরে ধীরে আসনসংখ্যায় টেক্কা দিচ্ছে বিজেপি। উত্তরাখণ্ডে আপাতত ৩৫টি আসনে এগিয়ে বিজেপি, কংগ্রেস এগিয়ে ২৭টি আসনে।
ভোটগণনার সকালেই বড় খবর। গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবার অংশ নিয়েই খাতা খুলতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এখনও অবধি মোট ৫টি আসনে এগিয়ে থাকার খবর মিলেছে।
গোয়ায় কি এবার গদি উলটাতে চলেছে বিজেপির? ভোট গণনার শুরুতেই দেখা যাচ্ছে এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। ১৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে প্রাক্তন শাসক দল। অন্যদিকে বিজেপি এগিয়ে ১২টি আসনে এগিয়ে।
উত্তরাখণ্ডে ভোটগণনার শুরুতেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। আপাতত ১৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি, ১১টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস।
পঞ্জাবেও শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আপাতত ১২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে আম আদমি পার্টি। কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১১টি আসনে।
উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেসের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত। আগামী দুই-তিন ঘণ্টার মধ্যেই জনমত স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।
বাকি রাজ্যের মতো মণিপুরেও আজ ভোটের ফল প্রকাশ হবে। থৌবাল জেলা কমিশনার অফিস কমপ্লেক্সে সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে ভোটগণনা।
বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হবে আজই। আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং মান সাঙ্গুরের গুরসাগর মাস্তুনা সাহিব গুরুদ্বারে প্রণাম করতে গেলেন। তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি যে পঞ্জাবের মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য ভোট দিয়েছেন।”
গোয়াতেও আজ প্রকাশিত হবে বিধানসভা নির্বাচনের ফল। সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে ভোটগণনা। ইতিমধ্যেই গণনা কেন্দ্রগুলিতে বুথকর্মীরা পৌঁছতে শুরু করেছেন।
বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে পঞ্জাবে ক্ষমতায় আসতে চলেছে আম আদমি পার্টি। মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ভগবন্ত সিং মানের বাড়িতে ইতিমধ্যেই জিলিপি তৈরি ও ফুল দিয়ে সাজানো হচ্ছে।
উত্তর প্রদেশ, পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়া ও মণিপুরে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। আজ ফলাফল প্রকাশ হবে এই পাঁচ রাজ্যে। সকাল আটটা থেকে ভোটগণনা শুরু হবে।