BSF: ‘বিয়ে ক্যানসেল করে যোগ দিন ডিউটিতে’, BSF-কে কড়া নির্দেশ, কেন এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত?

WB Assembly Election 2026: বিএসএফ শীর্ষকর্তাদের কথায়, পশ্চিমবঙ্গের ভোটকে আরও সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রাখতে চায় নির্বাচন কমিশন। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন অনেক বেশি। সিআরপিএফ-এর পাশাপাশি বিএসএফ জওয়ানরা মূলত সুরক্ষার কাজে যুক্ত হয়ে থাকেন।

BSF: বিয়ে ক্যানসেল করে যোগ দিন ডিউটিতে, BSF-কে কড়া নির্দেশ, কেন এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত?
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল বিএসএফের।Image Credit source: PTI

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Mar 29, 2026 | 2:45 PM

নয়া দিল্লি: বাংলার ভোটের জন্য নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত বিএসএফের (BSF)। অতীতে এমন সিদ্ধান্ত কখনও নেওয়া হয়নি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীতে, এবার তা হল। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) নজরদারির জন্য বিএসএফের জওয়ানদের ছুটি বাতিল করে দেওয়া হল। 

আগামী মাসেই রাজ্য়ে বিধানসভা নির্বাচন। ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল- দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন হবে। ৪ মে ফলপ্রকাশ। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যায় যাতে কোনও রকম খামতি না থাকে, তাই বিএসএফের শীর্ষকর্তা থেকে হাবিলদার, এমনকী তার থেকেও কম পদমর্যাদার সব জওয়ানদের ছুটি বাতিল করে দেওয়া হল।

বিএসএফ কর্তৃপক্ষের তরফে জওয়ানদের জানানো হয়েছে, ১০ এপ্রিল পর্যন্ত কোনওরকম ছুটি নেওয়া যাবে না। যদি কারও বিয়ে বা অন্য কোন পারিবারিক অনুষ্ঠান বা গুরুত্বপূর্ণ কারণে ছুটি নেওয়া হয়ে থাকে, তা বাতিল করে দ্রুত কাজে যোগ দিতে হবে। ইতিমধ্যে যেসব জওয়ান ছুটি নিয়েছিলেন, তাঁদেরকে নোটিস পাঠিয়ে কাজে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে জওয়ানরা বিয়ে করবেন বলে তারিখ স্থির করে ফেলেছিলেন, সেই তারিখ পিছিয়ে দিতে অথবা বাতিল করতেও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসএফ শীর্ষকর্তাদের কথায়, পশ্চিমবঙ্গের ভোটকে আরও সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রাখতে চায় নির্বাচন কমিশন। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন অনেক বেশি। সিআরপিএফ-এর পাশাপাশি বিএসএফ জওয়ানরা মূলত সুরক্ষার কাজে যুক্ত হয়ে থাকেন।

প্রায় ২ লক্ষের বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে এবারের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে। সেখানে সিআরপিএফের পক্ষে এই বিশালাকার আয়তনে থাকা পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র নজরদারি দেওয়া সম্ভব নয়। তাই বিএসএফের প্রয়োজন।

একইসঙ্গে, বিএসএফের চিন্তা, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশ এবং উত্তর ২৪ পরগনার বেশ কিছু অংশে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ভোট বানচাল বা অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করবে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি ভোট কেন্দ্রগুলিকে আরও আঁটসাঁট নিরাপত্তার মধ্যে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সাধারণত যুদ্ধের সময় জওয়ানদের ছুটি বাতিল হয়ে থাকে বলেই দেখা যায়।এবার একই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের জন্য লাগু করা হল। স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন কতটা শক্ত নজরদারির উপর হতে চলেছে, তা এই সিদ্ধান্ত থেকে প্রমাণিত।

Follow Us