AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

কেন শুটিং ফ্লোরে ফোন নিয়ে যান না অক্ষয় খান্না?

'ধুরন্ধর' ছবিতে 'রহমান ডাকাত' হিসেবে অক্ষয়ের কামব্যাক রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে। তাঁর হুক-স্টেপ থেকে শুরু করে অভিনয়— সবটাই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল। অথচ যখন সারা দেশ তাঁকে নিয়ে মাতামাতি করছে, অক্ষয় তখন সব কোলাহল থেকে দূরে নিজের আলিববাগের বাংলোয় নিভৃতে সময় কাটাচ্ছেন। দানিশের মতে, এটাই অক্ষয় খান্নার বিশেষত্ব। সাফল্য বা ব্যর্থতা- কোনওটাই তাঁকে খুব একটা প্রভাবিত করে না।

কেন শুটিং ফ্লোরে ফোন নিয়ে যান না অক্ষয় খান্না?
অক্ষয়
| Updated on: Apr 09, 2026 | 2:50 PM
Share

গ্ল্যামার জগতের জাঁকজমকের মধ্যে থেকেও অক্ষয় খান্না যেন এক রহস্যময় দ্বীপ। প্রচারের আলো থেকে যোজন দূরে থাকতেই বেশি ভালোবাসেন। সম্প্রতি ‘ধুরন্ধর’ ছবির সাফল্যের পর অক্ষয়কে নিয়ে চর্চা এখন তুঙ্গে। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর একটা দুর্নাম রয়েছে— তিনি নাকি ভীষণ জটিল। এবার সেই মিথ ভাঙলেন তাঁরই সহ-অভিনেতা দানিশ পান্ডোর। খোলসা করলেন, সেটের ভেতরে ঠিক কেমন মানুষ এই অভিনেতা।

আজকালকার দিনে যেখানে স্মার্টফোন ছাড়া মানুষের এক মুহূর্ত চলে না, সেখানে অক্ষয় খান্না নাকি সেটে ফোনই নিয়ে যান না! দানিশের কথায়, শুটিং ফ্লোরে অক্ষয়ের একটা নিজস্ব জগত রয়েছে। তিনি কোনও ফোন ব্যবহার করেন না। সেটের একটা কোণে চুপচাপ বসে থাকেন। যতক্ষণ না কেউ নিজে থেকে এসে কথা বলছেন, তিনি কারও সঙ্গে কথা বলেন না। তবে কি তিনি উদ্ধত? দানিশ বলছেন একদম উল্টো কথা। তাঁর মতে, অক্ষয় অত্যন্ত বিনয়ী এবং ভালো মনের মানুষ। আসলে তিনি যখন কাজ করেন, তখন পুরোপুরি সেই চরিত্রের মধ্য়ে ডুবে থাকেন। আর সেই মনঃসংযোগ ধরে রাখতেই তিনি নীরবতা বজায় রাখেন।

‘ধুরন্ধর’ ছবিতে ‘রহমান ডাকাত’ হিসেবে অক্ষয়ের কামব্যাক রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে। তাঁর হুক-স্টেপ থেকে শুরু করে অভিনয়— সবটাই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল। অথচ যখন সারা দেশ তাঁকে নিয়ে মাতামাতি করছে, অক্ষয় তখন সব কোলাহল থেকে দূরে নিজের আলিববাগের বাংলোয় নিভৃতে সময় কাটাচ্ছেন। দানিশের মতে, এটাই অক্ষয় খান্নার বিশেষত্ব। সাফল্য বা ব্যর্থতা- কোনওটাই তাঁকে খুব একটা প্রভাবিত করে না। তিনি জানেন চারদিকে কী ঘটছে, কিন্তু প্রচারের লোভে নিজেকে সঁপে দেন না।

অক্ষয়কে নিয়ে যেমন প্রশংসা আছে, তেমনই রয়েছে বিতর্কও। শোনা গিয়েছিল, ‘দৃশ্যম ৩’ ছবির জন্য তিনি ২১ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি করেছিলেন। প্রযোজক কুমার মঙ্গত তো তাঁকে ‘টক্সিক’ বলতেও ছাড়েননি। অভিযোগ ছিল, ‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্যের পর তিনি নাকি পারিশ্রমিক কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এবং অগ্রিম নেওয়ার পরেও প্রজেক্ট থেকে সরে দাঁড়ান। এমনকি পরচুলা পরা নিয়ে তাঁর অনড় অবস্থানও সিনেমার ধারাবাহিকতা নষ্ট করছিল বলে দাবি করা হয়। তবে দানিশ পান্ডোরের বয়ান বলছে অন্য কথা। তাঁর অভিজ্ঞতায় অক্ষয় খুব ভালো মনের মানুষ।

Follow Us