AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘এটা আমার বাড়ি নয়!’ ‘জলসা’ বাংলো নিয়ে পোস্ট অমিতাভের, কী হল হঠাৎ?

স্মৃতির সরণি বেয়ে অভিনেতা লিখেছেন, এই বাড়ি তাঁর সন্তানদের জন্ম দেখেছে। সন্তানদের বিয়ের সাক্ষী থেকেছে এই চত্বর। এখানেই তাঁর সন্তানেরা বড় হয়েছে এবং এখন তাঁদের সন্তানরা (নাতনিরা) বেড়ে উঠছে। তাঁর মতে, এই বাড়ি আনন্দ এবং খুশির প্রতিফলন ঘটায়। এটি জীবনের উদযাপন এবং সময়ের সঙ্গে বয়ে চলা অটুট বন্ধুত্বের এক অনন্য দলিল।

'এটা আমার বাড়ি নয়!' 'জলসা' বাংলো নিয়ে পোস্ট অমিতাভের, কী হল হঠাৎ?
Image Credit: Instagram
| Updated on: Mar 02, 2026 | 1:42 PM
Share

মুম্বইয়ের সেই আইকনিক বাংলো, যার সামনে প্রতি রবিবার ভিড় জমান হাজার হাজার অনুরাগী। সেই ‘জলসা’ আজ কেবল একটি বিলাসবহুল আবাসন নয়, বরং তিন দশকের ভালোবাসা, আশীর্বাদ এবং একান্নবর্তী পরিবারের এক জীবন্ত প্রতীক। সম্প্রতি নিজের ব্লগে ‘জলসা’ নিয়ে এক দীর্ঘ ও আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেছেন মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন।

বিগ বি তাঁর ব্লগে অনুরাগীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, যাঁদের তিনি ভালোবেসে নিজের ‘বর্ধিত পরিবার’  বলে ডাকেন। প্রতি সপ্তাহে ব্যস্ত জীবন থেকে সময় বের করে যাঁরা তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত হন, তাঁদের সেই কয়েক মিনিটের উপস্থিতি অমিতাভের কাছে কোনো দৈব শক্তির চেয়ে কম নয়।

শাহেনশাহ লিখেছেন, “আপনাদের ব্যস্ত জীবন থেকে আমার জন্য বের করা সেই কয়েক মিনিটের ভালোবাসা আর আশীর্বাদ আমার কাছে ঈশ্বরের উপস্থিতির সমান”।

অমিতাভের কাছে ‘জলসা’ মানে শুধুই একটি ছাদ নয়, বরং লক্ষ লক্ষ মানুষের শুভকামনায় ধন্য একটি স্থান। গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই বাড়িটি বচ্চন পরিবারকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। স্মৃতির সরণি বেয়ে অভিনেতা লিখেছেন, এই বাড়ি তাঁর সন্তানদের জন্ম দেখেছে। সন্তানদের বিয়ের সাক্ষী থেকেছে এই চত্বর। এখানেই তাঁর সন্তানেরা বড় হয়েছে এবং এখন তাঁদের সন্তানরা (নাতনিরা) বেড়ে উঠছে। তাঁর মতে, এই বাড়ি আনন্দ এবং খুশির প্রতিফলন ঘটায়। এটি জীবনের উদযাপন এবং সময়ের সঙ্গে বয়ে চলা অটুট বন্ধুত্বের এক অনন্য দলিল।

গত মাসেই নিজের ব্লগে প্রাত্যহিক জীবনের ভাষা নিয়ে এক মজাদার পর্যবেক্ষণ শেয়ার করেছিলেন অমিতাভ। তিনি লক্ষ্য করেছেন, আমাদের প্রতিদিনের কথাবার্তায় গাড়ি এবং ক্রিকেটের কতখানি প্রভাব রয়েছে। তিনি কিছু উদাহরণ দিয়ে জানান, আমরা প্রায়ই বলি কঠোর পরিশ্রমে ‘স্পিড ব্রেকার’ এসেছে, অথবা গতি বাড়াতে ‘এক্সিলারেটর’ চাপ দেওয়ার কথা বলি। এমনকি বিপদের আঁচ পেলেই ‘ব্রেক’ কষার মতো শব্দবন্ধও আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।