Amrita Singh: সইফ তো করেছেন, দ্বিতীয়বার বিয়ে করবেন অমৃতা সিং? অভিনেত্রী জানিয়ে দিলেন…
Amrita Singh Saif Ali Khan Divorce: তবে এই ডিজিটাল যুগ শুরু হওয়ার অনেক আগেই বলিউডের অন্যতম চর্চিত জুটি ছিলেন সইফ আলি খান এবং অমৃতা সিং। বিশেষ করে তাঁদের বয়সের ব্যবধান এবং দীর্ঘ ১৩ বছরের বৈবাহিক জীবনের পর ২০০৪ সালে বিচ্ছেদের ঘটনাটি সেই সময়ে সংবাদ শিরোনামে বড় জায়গা করে নিয়েছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে তারকাদের প্রেম বা বিচ্ছেদ নিয়ে চর্চা তো লেগেই রয়েছে, তবে এই ডিজিটাল যুগ শুরু হওয়ার অনেক আগেই বলিউডের অন্যতম চর্চিত জুটি ছিলেন সইফ আলি খান এবং অমৃতা সিং। বিশেষ করে তাঁদের বয়সের ব্যবধান এবং দীর্ঘ ১৩ বছরের বৈবাহিক জীবনের পর ২০০৪ সালে বিচ্ছেদের ঘটনাটি সেই সময়ে সংবাদ শিরোনামে বড় জায়গা করে নিয়েছিল।
বিচ্ছেদের পর সইফ আলি খান জীবনে এগিয়ে গিয়ে কারিনা কাপুরকে বিয়ে করে নতুন সংসার শুরু করলেও, অমৃতা সিং বেছে নিয়েছিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ। নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জনসমক্ষে খুব একটা মুখ খুলতে দেখা যায় না এই অভিনেত্রীকে। তবে সম্প্রতি তাঁর এক পুরনো সাক্ষাৎকার ফের নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে, যেখানে নিজের দ্বিতীয় বিয়ে না করার কারণ নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
পূজা বেদীর নেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে অমৃতাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি কি আগামী দিনে দ্বিতীয়বার বিয়ের কথা ভাবছেন? নিজের স্বভাবসিদ্ধ স্পষ্টবাদিতার সঙ্গে উত্তর দিয়ে অমৃতা তখন বলেন, “পূজা, আমি তো আর ১৬ বছরের কিশোরী নই যে বলব— ‘হা হা হা, জানি না, হয়তো হতেও পারে আবার না-ও হতে পারে।’ সত্যি বলতে, আমার মনে হয় না আমি আর বিয়ে করব। তবে ভবিষ্যতে কী হবে তা তো বলা যায় না।”
দ্বিতীয়বার বিয়ের অনিচ্ছা নিয়ে পূজা আরও গভীরে প্রশ্ন করলে অমৃতা এমন এক প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন, যা শুনে সে সময় অনেকেই হেসে ফেলেছিলেন।
একই সঙ্গে সইফের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরবর্তী কঠিন সময়ের স্মৃতিও রোমন্থন করেন অভিনেত্রী। কীভাবে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তিনি নিজের মানসিক অবস্থাকে সামলে নিয়েছিলেন এবং ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন, তাও তুলে ধরেন।
বিচ্ছেদের পর কীভাবে জীবন কাটছিল, সে প্রসঙ্গে অমৃতা জানান, শুরুতে তিনি নিজের পরিস্থিতির কথা ভেবে কেবল ভেঙে পড়তেন। কিন্তু একজন মা হিসেবে তিনি দ্রুত বুঝতে পারেন যে সন্তানদের জন্য তাঁকে সামনে এগিয়ে যেতেই হবে। অমৃতার কথায়, “আমি বাড়িতেই বসে থাকতাম এবং নিজের পরিস্থিতি নিয়ে বিষণ্ণতায় ভুগতাম। যার ফলে আমি মোটা, স্থবির এবং অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু আমি কোনওভাবেই চাইনি যে আমার সন্তানরা কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি দেখে জীবনের কাছে হার মানতে শিখুক। আবার বিয়ে করলে, আমার এই লড়াইটা আরও কঠিন হয়ে যেত। সব কিছু ঘেঁটে ফেলতাম।”
