
সোনি লিভ-এ ১৯ মার্চ আসছে ‘জ্যাজ সিটি’। ১৯৭১ সালের কলকাতাকে পটভূমি করে নির্মিত এই গল্প—যেখানে শহরের পুরোনো দিনের আকর্ষণ মিশে যায় এক রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনার সময়ের সঙ্গে। একটি জ্যাজ ক্লাবের আধারে এগিয়ে চলা এই সিরিজে সঙ্গীত, রহস্য ও আবেগ মিলেমিশে গিয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ধরা পড়েছে চিত্রনাট্যের পরতে-পরতে। রাতের অন্ধকারে ভেসে ওঠা সুরের সঙ্গে-সঙ্গে শব্দ জাগিয়েছে বিদ্রোহ। সম্প্রতি এই সিরিজের প্রচারেই শহর কলকাতায় এসেছিলেন ওপার বাংলা ও এপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা আরিফিন শুভ। জ্যাজ সিটি নিয়ে বলতে গিয়ে, শহর কলকাতার প্রতি তাঁর আবেগকেও তুলে ধরলেন আরিফিন।
কী বললেন অভিনেতা?
Tv9 Bangla-কে আরিফিন বলেন, ”জ্যাজ সিটি এমন একটা কাজ, যাকে দু-তিন লাইনে বর্ণনা করা যাবে না। জ্য়াজ সিটি প্রেমের গল্প, জ্যাজ সিটি জ্যাজের গল্প, জ্যাজ সিটি ফুডের গল্প। জ্যাজ সিটি মানুষের না বলা ইমোশনের ফিল্টারডভাবে বলার গল্প। জ্যাজ সিটি সারকাজমের গল্প। হিউমারের গল্প। জ্যাজ সিটির প্রত্যেকটা লেয়ার। জিমি রয়ের এতগুলো লেয়ার। এবং বাকি যাঁরা যাঁরা কাজ করেছে, সব কলাকুশলীদের নিয়ে বললে, আমার দিক থেকে এটা এমন একটা কাজ, যেটা বহু বছর মনে রাখব। আমরা যাঁরা প্রফেশনালি কাজ করি, আমাদের যেহেতু পরবর্তী কাজে চলে যেতে হয়, এই কাজটা অনেকদিন মনে থাকবে।”
আরিফিনের কথায়, ”জ্য়াজ সিটিতে জিমি রায় গ্লোবাল সিটিজেন। বিভিন্ন জায়গায় যায়, বিভিন্ন কাজ করে। আমিও ব্যক্তিগত জীবনেও এমনটাই করি। সত্যি বলতে, কলকাতায় এসে আমার কখনও মনে হয় না, যে আমি এখানকার নই, আমি ঢাকায় নেই। এতগুলো বছরে আমার কখনও এমন কিছু মনে হয়নি। এতগুলো বছরে আমার আলাদা কিছু মনে হয়নি। বন্ধুত্বে, পরিচয়ে, কাজে, বেড়াতে, শপিংয়ে, সিনেমা দেখাতে, দক্ষিণাপণের সামনে ফুচকা খাওয়াতে। আসলে এটা আমার স্বাভাবিকই লাগে।”
সৌমিক সেনের সৃষ্ট, রচিত ও পরিচালিত এবং স্টুডিও ৯ ও স্টুডিওনেক্সট প্রযোজিত এই সিরিজে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, সৌরসেনী মৈত্র, শান্তনু ঘটক, অনিরুদ্ধ গুপ্ত, সায়নদীপ সেন, শ্রেয়া ভট্টাচার্য, শতাফ ফিগার, আলেকজান্দ্রা টেলর এবং অমিত সাহার মতো বহু গুণী শিল্পী।