AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bombay High Court: রসগোল্লা নিয়ে রসিকতা! ভারতী সিং ও শেখর সুমনের বিরুদ্ধে মামলায় কী রায় দিল আদালত?

Bombay high court quashes case against Shekhar Suman Bharti Singh: দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলা এই আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে আদালত জানিয়ে দিল, কোনও কাজ বিদ্বেষমূলক না হলে তাকে অপরাধের তকমা দেওয়া চলে না। হাইকোর্টের এই রায় শিল্পীদের বাকস্বাধীনতা রক্ষার ক্ষেত্রে এক বড় জয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

Bombay High Court: রসগোল্লা নিয়ে রসিকতা! ভারতী সিং ও শেখর সুমনের বিরুদ্ধে মামলায় কী রায় দিল আদালত?
| Updated on: May 01, 2026 | 4:10 PM
Share

২০১০ সালের ২০ নভেম্বর ‘কমেডি সার্কাস কা জাদু’র একটি পর্বে ভারতী সিং একজন পারফর্মার হিসেবে অভিনয় করেছিলেন এবং শেখর সুমন ছিলেন সেই শো-এর বিচারক। সেই পর্বে বিভিন্ন পেশার মানুষের হাস্যকর চিত্রায়নের সময় ব্যবহৃত কিছু অভিব্যক্তিতে মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন ‘রাজা অ্যাকাডেমি’র সদস্য মহম্মদ ইমরান দাদানি রসাবি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই এফআইআর দায়ের হয়েছিল। ২০১২ সালে সেই এফআইআর-এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শেখর ও ভারতী।

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলা এই আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে আদালত জানিয়ে দিল, কোনও কাজ বিদ্বেষমূলক না হলে তাকে অপরাধের তকমা দেওয়া চলে না। হাইকোর্টের এই রায় শিল্পীদের বাকস্বাধীনতা রক্ষার ক্ষেত্রে এক বড় জয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

শিল্পীদের পারফরম্যান্স বা বিচারকের মন্তব্য যদি কেউ প্রসঙ্গের বাইরে গিয়ে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে আঘাত পান, তবে তার জন্য ফৌজদারি আইন প্রয়োগ করা উচিত নয়। অভিনেতা শেখর সুমন এবং কমেডিয়ান ভারতী সিং-এর বিরুদ্ধে চলা ২০১০ সালের একটি ঘৃণ্য বক্তব্যের মামলা খারিজ করে এই মন্তব্য করল বম্বে হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ওই কৌতুক অভিনয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মতো কোনও বিদ্বেষমূলক উদ্দেশ্য ছিল না।

বিচারপতি অমিত বোরকর এই মামলার রায়ে জানান, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৫এ ধারা (ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা) প্রয়োগ করার জন্য নির্দিষ্ট প্রমাণ প্রয়োজন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে কোনও ধর্ম বা বিশ্বাসকে অপমান করেছেন। এই ক্ষেত্রে তেমন কোনও উপাদানের হদিশ মেলেনি।

আদালতের মতে, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত শব্দগুলো— “ইয়া আল্লাহ! রসগোল্লা! দই ভাল্লা!”— নিছক ছন্দের খাতিরে এবং হাসির খোরাক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, রসগোল্লা বা দই ভাল্লা সাধারণ খাবার এবং এর সঙ্গে কোনও ধর্মীয় অনুষঙ্গ জড়িয়ে নেই। আদালত স্পষ্ট করে দেয় যে, কৌতুক অভিনয়ে খাবারের নাম উল্লেখ করা কোনওভাবেই ধর্মকে অপমান করা নয়। কোনো শব্দকে ‘আঘাত করার অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা দেখার মতো প্রয়োজনীয় উপাদান এখানে অনুপস্থিত।

Follow Us