CBFC Prosenjit Chatterjee: কেন্দ্রীয় সেন্সর বোর্ডে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, থাকছেন প্রীতি জিন্টা, সুনীল শেট্টিরাও
Ministry of Information and Broadcasting Censor Board New Members: বোর্ডের নতুন সদস্য তালিকায় চমক হিসেবে উঠে এসেছে বিনোদন জগতের একাধিক দিকপাল ব্যক্তিত্বের নাম। তালিকায় রয়েছেন বাংলার সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, প্রীতি জিন্টা, সুনীল শেট্টি, পঙ্কজ ত্রিপাঠি, রূপালী গঙ্গোপাধ্যায় এবং পল্লবী জোশীর মতো জনপ্রিয় তারকারা।

কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফ থেকে পুনর্গঠন করা হল ‘সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন’ (CBFC) বা সংক্ষেপে কেন্দ্রীয় সেন্সর বোর্ড। আর বোর্ডের নতুন সদস্য তালিকায় চমক হিসেবে উঠে এসেছে বিনোদন জগতের একাধিক দিকপাল ব্যক্তিত্বের নাম। তালিকায় রয়েছেন বাংলার সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, প্রীতি জিন্টা, সুনীল শেট্টি, পঙ্কজ ত্রিপাঠি, রূপালী গঙ্গোপাধ্যায় এবং পল্লবী জোশীর মতো জনপ্রিয় তারকারা। টিভি নাইন বাংলাকে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, ”আমি একটু আগেই পেয়েছি খবরটা। আমি গর্বিত, আনন্দিত সবার জন্য। আমার কাজের জন্য।”
সিনেমাটোগ্রাফ অ্যাক্টের আওতায় অর্পিত ক্ষমতা বলে মোট ১৮ সদস্যের এই নতুন বোর্ড গঠন করেছে কেন্দ্র। আগামী তিন বছর কিংবা পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই ১৮ সদস্যের কমিটিই কেন্দ্রীয় সেন্সর বোর্ডের সমস্ত দায়িত্ব সামলাবেন। এই বোর্ড ভারতে মুক্তি পাওয়া সমস্ত চলচ্চিত্রের মূল্যায়ন করে এবং তা সব ধরনের মানুষের দেখার উপযোগী কি না, সেই অনুযায়ী শংসাপত্র (Certificate) দেয়।
In exercise of the powers conferred under Cinematograph Act the Central Government has reconstituted the Central Board of Film Certification @shashidigital https://t.co/cjY2lyhCIP
— CBFC केंद्रीय फिल्म प्रमाणन बोर्ड (@CBFC_Bharat) September 16, 2026
বিনোদন জগত ছাড়াও সংস্কৃতি ও সুরলোকের বেশ কিছু খ্যাতনামা ব্যক্তি জায়গা করে নিয়েছেন এই নতুন কমিটিতে। তালিকায় থাকা অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিনোদ অনুপম, মনোজ জোশী, অভিষেক জৈন, প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক রিকি কেজ, চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রিয়দর্শন, প্রখ্যাত গায়ক হন্সরাজ হন্স, সুপ্রিয়া ইয়ারলাগড্ডা, যতীন্দ্র মিশ্র, নীল মাধব পণ্ডা, নিশিন্ধা ওয়াদ, ওয়ামন কেন্দ্র এবং রমেশ পতঙ্গের মতো ব্যক্তিত্বরা। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েট অভিনেতার অন্তর্ভুক্তিতে টলিউড তথা ভারতীয় চলচ্চিত্রে সেন্সরশিপের রূপরেখায় নতুন বার্তা যাবে বলেই মনে করছেন সিনেমহল।
