সিনেমা নয়, সত্যি যৌনপল্লীতে ছদ্মবেশে অমিতাভ বচ্চন! সবটা বলেই দিলেন পরিচালক
ব্যাংককে অন্ধকার নয়, বরং আলো ঝলমলে রাস্তায় অ্যাংরি ইয়ংম্যানের এন্ট্রি একেবারে অন্য অবতারে। জামার বোতাম খুলে থাইল্য়ান্ডের স্পেশাল ধুতি পরে সোজা যৌনপল্লীতে হাজির অমিতাভ!

‘শাহেনশাহ’ ছবিতে রাত নামলেই অন্ধকার, ফাঁকা রাস্তায় দেখা মিলত তাঁর। তবে ব্যাংককে অন্ধকার নয়, বরং আলো ঝলমলে রাস্তায় অ্যাংরি ইয়ংম্যানের এন্ট্রি একেবারে অন্য অবতারে। জামার বোতাম খুলে থাইল্য়ান্ডের স্পেশাল ধুতি পরে সোজা যৌনপল্লীতে হাজির অমিতাভ! হ্য়াঁ, ঠিকই পড়েছেন, মাঝরাতে এমন কাণ্ডই ঘটিয়ে ছিলেন বলিউড শহেনশাহ! আর তার কাণ্ড দেখে হতবাক পরিচালক অপূর্ব লাখিয়া। সম্প্রতি ফ্রাইডে টকিজের এক সাক্ষাৎকারে সেই রাতে ঘটে যাওয়া ঘটনার সবটা বললেন পরিচালক।
বিষয়টা একটু বিশদে বলা যাক। সময়টা ২০০৫ সাল। পরিচালক অপূর্ব লাখিয়ার ছবি ‘এক অজনবি’র শুটিংয়ের জন্য ব্যাংককে গিয়েছিলেন অমিতাভ। একদিন একটু জলদিই শুটিং শেষ হয়ে যায়। আর তারপর পরিচালকের কথায়, ব্য়াংককের যৌনপল্লীর একটি জনপ্রিয় স্ট্রিপ ক্লাবে যাওয়ার প্ল্য়ান করে ফেলেন অমিতাভ। তবে শুধুই অমিতাভ নয়, সঙ্গে ছিলেন অর্জুন রামপাল, বিক্রম চটওয়াল, পারিজাত জোরাবিয়া, বান্টি ওয়ালিয়া।
এই সাক্ষাৎকারে পরিচালক অপূর্ব জানালেন, আমি অমিতজিকে বলেছিলাম, আপনি যাবেন? আপনাকে দেখে তো হইচই পড়ে যাবে। কিন্তু অমিতজি নিজেই উৎসাহ প্রকাশ করেন। আর তার পরেই ভোল বদলে ফেলেন। আসলে অমিতজি আগে কখনই স্ট্রিপ ক্লাবে যাননি। কখনও এই ধরনের শোও দেখেননি। আমার মনে আছে, সেদিন প্রায় রাত তিনটে পর্যন্ত হোটেলের বাইরেই ছিলেন অমিতজি। আর আমাকে বলেছিল, তিনি যে স্ট্রিপ শো দেখেছেন, সেটা অসাধারণ! তার পরের দিন সঠিক টাইমেই সিনেমার শুটিংয়ে হাজির হয়েছিলেন তিনি। অমিতজির এনার্জি হিংসা করার মতো!
