২০০৭ সালে ঐশ্বর্যর কাছে একটি আংটি নিয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক। জুনিয়র বচ্চনের বাবা অমিতাভ বচ্চন চাইতেন ঐশ্বর্যকে বিয়ে করে তাঁকে পুত্রবধূ করে নিয়ে আসুন অভিষেক। সেই সময় অভিষেকের সঙ্গে ঐশ্বর্যর সিনেমার পর্দায় কাজ করা হয়ে গিয়েছে। ‘গুরু’ ছবিতে তাঁদের রসায়ন দেখে ফেলেছে দুনিয়া। ঐশ্বর্যর সঙ্গে শুরু থেকেই অভিষেকের বন্ধুত্ব ছিল। তাঁকে মার্কিন মুলুকে আংটি পরিয়েছিলেন অভিষেক। বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন সেখানেই।
২০০৭ সালে গোপনে আংটি বদলের পর অভিষেক বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ঐশ্বর্যকে। সেই প্রস্তাবে রাজিও হয়ে গিয়েছিলেন রাই সুন্দরী। এই সুখবর জানার পর এক মুহূর্তও দেরী করেনি বচ্চন পরিবার। ঐশ্বর্যকে রাতারাতি বাড়ির বউ করে নিয়ে আসেন সেই একই বছরে। ২০০৭ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয় ঐশ্বর্য-অভিষেকের। গোটা দেশ তাকিয়ে ছিল সেই বিয়ের দিকে। সেটি ছিল বলিউডের প্রথম প্রচারে আসা বিয়ে। প্রচুর লেখালেখি হয়েছিল সেই বিয়ে নিয়ে। সংবাদ মাধ্যমের নজর ছিল সারাক্ষণই।
তবে জানেন কি, ঐশ্বর্য বয়সে অভিষেকের চেয়ে বেশ খানিকটা বড়। তিন বছরের ব্যবধান তাঁদের। ২০২৩ সালে ৫০ বছরে পা দিয়েছেন ঐশ্বর্য। অভিষেকের বয়স এখন ৪৭। পুত্রের চেয়ে বয়সে বড় বধূ বাড়িতে আসছে, তা নিয়ে কোনও রকম আপত্তি ছিল না বচ্চন পরিবারের। ঐশ্বর্যকে সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছিল তাঁরা। শোনা যায়, ঐশ্বর্য কুষ্ঠিতে মাঙ্গলিক দোষ ছিল। কথিত আছে, সেই দোষ কাটানোর জন্য ঐশ্বর্যকে নাকি গাছের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিল বচ্চন পরিবার। যদিও এই রটনাকে ধুলিস্যাৎ করেছেন অমিতাভ বচ্চন স্বয়ং।
এই মুহূর্তে ঐশ্বর্য-অভিষেকের বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনা সর্বত্র। তাঁদের নাকি বিয়ে ভাঙছে। ঐশ্বর্য নাকি বচ্চন পরিবার ত্যাগ করে মা বৃন্দার রাইয়ের সঙ্গে তাঁর বাপের বাড়িতে থাকছেন। যদিও এই রটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত একটি বাক্যও খরচ করেনি বচ্চন পরিবার কিংবা ঐশ্বর্য।