Toxic trailer: ‘ওসব পাত্তা দিও না…’, কিয়ারাকে যশের পরামর্শ! স্ত্রীকে যশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দেখে কী চটলেন সিদ্ধার্থ?
Toxic Tabaahi song: 'টক্সিক'-এর ট্রেলারে যশের সঙ্গে কিয়ারার অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে নেটপাড়ায় চর্চা তুঙ্গে। পর্দায় অন্য নায়কের সঙ্গে স্ত্রীর এমন ঘনিষ্ঠ দৃশ্য দেখে কি রেগে আগুন সিদ্ধার্থ? ট্রেলার দেখে সিদ্ধার্থ বললেন...

‘টক্সিক’ (Toxic) ছবির ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই নেটপাড়ায় ঝড়। ‘তবাহি’ গান মুক্তির পর থেকেই যশের সঙ্গে কিয়ারা আডবাণীর রসায়ন নিয়ে চর্চা এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে ছবির কয়েকটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। নেটিজেনদের একাংশ কিয়ারাকে রীতিমতো ট্রোল করতে শুরু করেছেন। স্ত্রী অন্য নায়কের সঙ্গে এমন ঘনিষ্ঠ! এই পরিস্থিতিতে স্বামী সিদ্ধার্থ মালহোত্রার প্রতিক্রিয়া ঠিক কী? তিনি কি বিরক্ত? একেবারেই নয়! বরং সমালোচকদের মুখে ছাই দিয়ে স্ত্রীর পাশেই ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন সিদ্ধার্থ। ইতিমধ্যে এই চর্চা বলিপাড়ায় বহুদূর গড়িয়ে গিয়েছে।
শনিবার বেঙ্গালুরুতে একটি বড় ইভেন্টের মাধ্যমে মুক্তি পেয়েছে গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন আপস’-এর ট্রেলার। এই প্রথমবার রুপোলি পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে সুপারস্টার যশ এবং কিয়ারাকে। ছবিতে ‘তবাহি’ গানে কিয়ারার পারফরম্যান্স ও বেশ কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে নেটদুনিয়ায় বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তবে এসব ভিত্তিহীন বিতর্ক নিয়ে সিদ্ধার্থের কোনও মাথাব্যথা নেই। তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন যে তিনি একজন অত্যন্ত সাপোর্টিভ স্বামী।
রবিবার নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ‘টক্সিক’-এর ট্রেলার শেয়ার করেন সিদ্ধার্থ। সেখানে কিয়ারা ও গোটা টিমকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। ট্রোলিংয়ের দিকে বিন্দুমাত্র কান না দিয়ে তিনি স্ত্রীর কঠোর পরিশ্রম ও ডেডিকেশনের প্রশংসা করেছেন। সিদ্ধার্থ লেখেন, “তোমার চেষ্টা, হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর আবেগ, সব কিছুই বড় পর্দায় ফুটে উঠবে। এটা তোমার কেরিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ হতে চলেছে, কি!” একইসঙ্গে পরিচালক গীতু মোহনদাস এবং যশকেও সাধুবাদ জানিয়েছেন তিনি। আগামী ২৬ অগস্ট ছবিটি মুক্তির জন্য যে তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, সেটাও স্পষ্ট জানিয়েছেন সিদ্ধার্থ।
শুধুমাত্র স্বামী সিদ্ধার্থ নন, কিয়ারার পাশে শক্ত হাতে দাঁড়িয়েছেন খোদ ‘রকি ভাই’ যশ। বেঙ্গালুরুর ট্রেলার লঞ্চের অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট জানান, কিয়ারার মতো একজন তারকার এমন মাটির কাছাকাছি থাকাটা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়ে যশ কিয়ারাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “একজন অভিনেতা হিসেবে দুর্ভাগ্যবশত অনেক কিছুর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, তবে ওসব পাত্তা দিও না। তুমি যা বিশ্বাস করো, কখনও পিছিয়ে না এসে সেটাই করে যাও। মানুষ ঠিকই প্রশংসা করবে।” যশ আরও জানান, এই মাল্টিস্টারার ছবিতে কাজ করা সহজ ছিল না। সবাই নিজেদের ইগো দূরে সরিয়ে রেখে এই ছবিতে কাজ করেছেন।
ছবিতে কিয়ারার চরিত্রটি হল ‘নাদিয়া’। এই ডার্ক ও ইনটেন্স ছবি নিয়ে তিনি নিজেও বেশ উচ্ছ্বসিত। ট্রেলার লঞ্চের মঞ্চে দাঁড়িয়ে কিয়ারা নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, এই প্রজেক্ট তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম বড় টার্নিং পয়েন্ট। তাঁর স্পষ্ট কথা, “আমার কেরিয়ারকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। এই ছবির আগে একজন কিয়ারা ছিল, আর টক্সিক-এর পর সম্পূর্ণ অন্য এক কিয়ারাকে দেখতে পাবেন দর্শক। যশ এবং গীতু আমার উপর ভরসা রেখেছেন, এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওনা।”
