কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন সলমন! কেন দাপুটে অভিনেতার এই হাল হয়?
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে ফারহা তাঁদের দীর্ঘ বন্ধুত্বের কথাও শেয়ার করেছেন। মজার ছলে তিনি জানান, সেই ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ ছবির স্ক্রিন টেস্টের সময় থেকে তিনি সলমনকে চেনেন। সলমনকে নাচ শেখাতে গিয়ে নাজেহাল হয়ে এক ঘণ্টার মধ্যেই সেখান থেকে পালিয়েছিলেন ফারহা! আজ এতদিন পরেও তাঁদের রসায়ন অটুট। ফারহার মতে, সলমনের সেন্স অফ হিউমার অত্যন্ত প্রখর, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে চট করে বোঝা সম্ভব নয়।

বলিউডের ‘ভাইজান’ সলমন মানেই পর্দায় দাপুটে উপস্থিতি, চওড়া ছাতি আর ‘দাবাং’ ইমেজ। কিন্তু এই শক্ত খোলসের নিচেও যে অত্যন্ত নরম এক মনের মানুষ লুকিয়ে রয়েছেন, সে কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন পরিচালক তথা কোরিওগ্রাফার ফারহা খান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সলমন খানের সংবেদনশীল সত্তা নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। ফিরে গিয়েছেন ২০০৬ সালের সেই দিনগুলিতে, যখন ‘জান-এ-মন’ সিনেমার শুটিং চলছিল নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন ব্রিজে।
ফারহা জানিয়েছেন, সলমন বাইরে থেকে যতটা শক্ত, ভেতর থেকে ততটাই মোমের মতো নরম। নিজের কষ্টগুলো তিনি সচরাচর কাউকে বুঝতে দেন না, চেপে রাখেন নিজের মধ্যেই। কিন্তু একদিন ব্রুকলিন ব্রিজে এক আবেগঘন দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে নিজেকে আর সামলাতে পারেননি সলমন। ফারহার কথায়, “সলমন যখন কাঁদছিল, আমার বুক ফেটে যাচ্ছিল। ও সত্যিই ডুকরে কেঁদে উঠেছিল সেদিন।”
সবচেয়ে অবাক করার মতো তথ্য হল, সেই কান্নার দৃশ্যের জন্য কোনও কৃত্রিম ‘গ্লিসারিন’ ব্যবহার করতে হয়নি সলমনকে। অভিনেতা এতটাই সেই মুহূর্তের গভীরে চলে গিয়েছিলেন যে, ক্যামেরা চালু হতেই তাঁর চোখ দিয়ে জল গড়াতে শুরু করে। ফারহা যোগ করেন, “যদি আপনারা সেই গানটি বা দৃশ্যটি দেখেন, বুঝবেন সেখানে কোনও অভিনয় ছিল না। সলমন ভেঙে পড়েছিল, আর সেটা ছিল এক অভিনব মুহূর্ত। ও কাঁদছে দেখে শটের মাঝেই আমি নিজে চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি।”
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে ফারহা তাঁদের দীর্ঘ বন্ধুত্বের কথাও শেয়ার করেছেন। মজার ছলে তিনি জানান, সেই ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ ছবির স্ক্রিন টেস্টের সময় থেকে তিনি সলমনকে চেনেন। সলমনকে নাচ শেখাতে গিয়ে নাজেহাল হয়ে এক ঘণ্টার মধ্যেই সেখান থেকে পালিয়েছিলেন ফারহা! আজ এতদিন পরেও তাঁদের রসায়ন অটুট। ফারহার মতে, সলমনের সেন্স অফ হিউমার অত্যন্ত প্রখর, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে চট করে বোঝা সম্ভব নয়।
তবে দুজনের লাইফস্টাইলে আকাশ-পাতাল তফাত। ফারহা যেখানে রাত ৯টা-১০টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে চান, সেখানে সলমনের আড্ডা শুরুই হয় রাত ২টোর পর! উল্লেখ্য, ‘মুঝসে শাদি করোগি’, ‘দাবাং’ থেকে ‘সুলতান’— বহু হিট ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন এই জুটি। এমনকি সলমনের ছবি ‘সিকান্দর’-এও একটি ধামাকাদার নাচের কোরিওগ্রাফি করেছেন ফারহা খান।
