
বলিউডে ‘আরাধনা ‘ ছবি থেকে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, দশকের পর দশক ধরে বহু ছবিতে তাঁর অভিনয়ে দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছেন। সম্প্রতি জাতীয় স্তরের একটি পডকাস্টে এসে জয়া বচ্চন ও অমিতাভ বচ্চনের মধ্যের তুমুল ঝগড়ার কথা শেয়ার করলেন। জয়া-অমিতাভ প্রেম-বিবাহ সবসময়ই টক অফ দ্য টাউন। বহু গুঞ্জন তাঁদের বিবাহিত জীবন নিয়ে, যা খবরের শিরোনামে থাকে।
এবার এই দম্পতির ভালোবাসা থেকে ঝগড়া নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী ফারিদা জালাল। অবশ্যই বিবাহ-পূর্ব ঝগড়ার গল্প দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন ফরিদা জালাল। তিনি বললেন, ”বহু বছর আগের কথা, তখন জয়া ভাদুড়ি ও অমিতাভ বচ্চনের বিয়ে হয়নি। আইনি বিয়ে সেরে ফেলেছিলেন। আমার সঙ্গে জয়ার অনেক পুরোনো বন্ধুত্ব। আমাকে ফারি বলে ডাকতেন। রাত দশটার পর গাড়িতে করে অমিতাভ আসতেন। ওঁদের সঙ্গে গাড়ির পিছনের সিটে আমাকে প্রায় জোর করে নিয়ে মুম্বই ঘুরতেন। গাড়ি চালাতেন অমিতাভ, পাশে জয়া। দু’ জনের মাঝে প্রায় কাবাবমে হাড্ডির মত থাকতাম। বহুবার বারণ করলেও জয়া জোর করতেন। আর ওঁদের রাগ অভিমান ঝগড়া চলতে থাকত। ছোট-ছোট বোকা-বোকা কারণে বাচ্চাদের মত ঝগড়া করতেন। যেমন সব প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে ঝগড়া হয় তেমনই ঝগড়া হতো। আর জয়াকে তো সবাই জানে , সহজেই অভিমান করে বসে থাকত, রেগে যেত। আর দু’ জনের তুমুল ঝগড়া কান্নাকাটি চলত। আমি পিছনে দর্শকের ভূমিকায় । যদিও এখন জয়াকে সবাই খামোখা বদনাম করে, ও খুব মিষ্টি মেয়ে। ঘন্টা তিনেক ঝগড়ার পর অভিমান শেষে আবার মিলমিশ হয়ে যেত, তখন তাজ হোটেল গিয়ে চা, কফি খেয়ে আবার বাড়ি পৌঁছে দিতেন ওঁরা। তখন অভিমান এর শুটিং চলছিল, কত কথা বলতেন, ঋষিকেশদা কে নিয়ে কথা, আড্ডা দারুণ মজা হতো। এরপর ওঁদের বিয়েতেও আমায় নিমন্ত্রণ করেন। ওঁদের বিয়েতে আমি, গুলজার ভাই আর গোবর্ধন আসরানি আমন্ত্রিত ছিলাম। ইন্ডাস্ট্রির সেরকম কাউকে ডাকেননি।”