ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর সানি দেওলের সঙ্গে সংঘাত? মুখ খুললেন হেমা মালিনী

ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর তিন দিন পর মুম্বইয়ের ‘তাজ ল্যান্ডস এন্ড’ হোটেলে একটি স্মরণসভার আয়োজন করেছিলেন সানি ও ববি দেওল। সেখানে সলমন খান, রেখা, বিদ্যা বালন ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের মতো তারকারা উপস্থিত থাকলেও দেখা যায়নি হেমা বা তাঁর মেয়েদের। পরিবর্তে নিজের বাড়িতেই গীতা পাঠের আয়োজন করেন হেমা।

ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর সানি দেওলের সঙ্গে সংঘাত? মুখ খুললেন হেমা মালিনী

|

Jan 13, 2026 | 1:35 PM

কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর থেকেই বলিউডের অন্দরে গুঞ্জন— তবে কি ফের দুই ভাগে বিভক্ত দেওল পরিবার? একদিকে প্রথম পক্ষের সন্তান সানি ও ববি দেওল, অন্যদিকে হেমা মালিনী ও তাঁর দুই কন্যা এশা ও অহনা। এই জল্পনা আরও ঘনীভূত হয় যখন সানি-ববিদের আয়োজিত প্রার্থনা সভায় হেমা মালিনীকে অনুপস্থিত থাকতে দেখা যায়। দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে এবার সেই ‘পারিবারিক বিবাদ’ নিয়ে সরাসরি মুখ খুললেন হেমা।

ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর তিন দিন পর মুম্বইয়ের ‘তাজ ল্যান্ডস এন্ড’ হোটেলে একটি স্মরণসভার আয়োজন করেছিলেন সানি ও ববি দেওল। সেখানে সলমন খান, রেখা, বিদ্যা বালন ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের মতো তারকারা উপস্থিত থাকলেও দেখা যায়নি হেমা বা তাঁর মেয়েদের। পরিবর্তে নিজের বাড়িতেই গীতা পাঠের আয়োজন করেন হেমা। এর দুসপ্তাহ পর দিল্লিতে পৃথকভাবে একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করায় সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে গুঞ্জন তুঙ্গে ওঠে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে হেমা মালিনী বলেন, “আমাদের সম্পর্ক সবসময়ই অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ ছিল এবং আজও তাই আছে। মানুষ কেন আমাদের মধ্যে সমস্যা খুঁজছেন জানি না। আসলে সবাই একটু গসিপ বা মুখরোচক খবর চায়।” ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সাফাই দিতে অস্বীকার করে তিনি আরও বলেন, “কেন আমাকে ব্যাখ্যা দিতে হবে? এটা আমার জীবন, আমাদের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। আমরা প্রত্যেকে অত্যন্ত সুখে আছি এবং একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ।” শোকার্ত পরিবারকে নিয়ে গুজব রটানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করে ৭৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী বলেন, “মানুষ অন্যের দুঃখকে কাজে লাগিয়ে প্রবন্ধ লিখে ফেলে, এটা খুব দুঃখজনক। এই কারণেই আমি এসব জল্পনার উত্তর দিই না।”

পারিবারিক ঐক্যের প্রমাণ দিয়ে হেমা জানান, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি রক্ষার্থে সানি দেওল একটি মিউজিয়াম বা সংগ্রহশালা তৈরির পরিকল্পনা করছেন। এই বিষয়ে সানি তাঁর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করেন বলেও জানান তিনি। হেমা বলেন, “সানি যাই করুক, ও আমাকে সব জানায়। আমরা পরামর্শ করেই কাজগুলো করব।”

একাধিক স্মরণসভা আয়োজন প্রসঙ্গে হেমা মালিনী স্পষ্ট জানান, এটি সম্পূর্ণ একটি ব্যবহারিক সিদ্ধান্ত ছিল। তাঁর কথায়, “আমার পরিচিত বৃত্ত এবং বন্ধুদের তালিকা আলাদা। দিল্লিতে আমার রাজনৈতিক জগতের বন্ধুদের জন্য সভার প্রয়োজন ছিল। আবার মথুরা আমার নির্বাচনী কেন্দ্র, সেখানকার মানুষ ওঁকে ভীষণ ভালোবাসতেন। তাই সেখানেও একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হয়েছে। আমি যা করেছি তাতে আমি তৃপ্ত।”