
প্রথমে একটা কাঁঠাল পাতা নিন। তারপর লিখে ফেলুন কয়েকটা সংখ্যা, ব্যস ভাগ্য ঘুরবে রাতারাতিই। এতেও হচ্ছে না? একটা সাদা কাপড়ের পুটলিতে বেঁধে ফেলুন মাসকলাইয়ের ডাল, হলুদ গুঁড়ো এবং সরষে। ব্যস, আপনার হাতের মুঠোয় জগত। প্রেমে ব্যথা হোক বা অসুখী দাম্পত্য কিংবা পুরনো প্রেমিক বা প্রেমিকাকে ফেরাতে হবে। অথবা পরীক্ষায় ভাল ফল কিংবা চাকরি। তনয়ের টোটকার জাদুতে নাকি সব সম্ভব। গেরুয়া, হলুদ পোশাক, মুখ ভর্তি দাড়ি আর গলায় নানা বাহারি হারমালা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় পর্দায় হাজির হন তনয় শাস্ত্রী। তাঁর এক কেরামতিতেই নাকি ভাগ্যের চাকা বন বনিয়ে ঘোরে।
কী কী টোটকা দেন এই তনয় শাস্ত্রী?
তনয়ের ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম পেজে উঁকি মারলে দেখা যায়, টোটকা ভর্তি একের পর এক রিল। আর সেখানেই একের পর এক সমস্যার সমাধান দিতে থাকেন তনয় শাস্ত্রী। এই যেমন, তনয়ের কথায় একটা পেরেক দিয়েই নাকি শত্রুনাশ করা সম্ভব। কীভাবে? তনয়ের কথায়, অমাবস্যা বা যে কোনও শনিবারে একটা পাতিলেবুতে পাঁচটা পিন ফুটিয়ে দিন। তারপর একটা পেড়েকে কাজল লেপে নিয়ে, শত্রুর নাম করে সেই পেড়েক পাতিলেবুতে গেঁথে দেবেন। তারপর সেই লেবু আগুনে জ্বালিয়ে দিন। তনয়ের কথায় এতেই নাকি হবে শত্রুনাশ!
তবে এখানেই শেষ নয়, তনয়ের সোশাল মিডিয়া ঘাটলে দেখা যায়, তন্ত্রসাধনাতেও হাত পাকিয়েছেন তনয়। নরকঙ্কাল নিয়ে যজ্ঞ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। উচ্চস্বরে, নানাপ্রকার মন্ত্র উচ্চারণ করেই জীবনের নানা সমস্যাকে নাকি তুড়ি মেরে দূর করেন তনয়। সোশাল মিডিয়ায় তাঁর ফলোয়ার সংখ্যাও প্রচুর। তবে তনয়ের এমন জাদুকরি অবতার দেখে, নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, এত সব টোটকা জেনেও, মিমির অভিযোগের তির আটকাতে পারলেন না? বনগাঁর মঞ্চে অভিনেত্রীকে হেনস্থার অভিযোগে সেই যেত হল শ্রীঘরে?