
বেনারসের গঙ্গাকে সাক্ষী রেখে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্য়ায়। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন হিরণ। অন্তত ভাইরাল হওয়া ছবি এমন কথাই বলছে। এই দ্বিতীয়বার বিয়ে নিয়ে এখনও পর্যন্ত হিরণ মুখ না খুললেও, বিধায়কের স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্য়ায়, টিভি নাইন বাংলায় মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সোশাল মিডিয়ার পোস্ট থেকেই হিরণের এই বিয়ের বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং হতবাক হয়েছেন। সঙ্গে এও জানান, ছবিতে হিরণের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কনেটি, হিরণ ও অনিন্দিতার মেয়ের নাইসার থেকে মাত্র ২ বছরের বড়! অনিন্দিতার কথায়, হিরণের মেয়ের বয়স এখন ১৯। অর্থাৎ সেই হিসেবে হিরণের পাশে দাঁড়ানো কনে হৃতিকা গিরির বয়স ২১!
২০২৪ -এর লোকসভা নির্বাচনে হলফনামায় হিরণ তাঁর বয়স উল্লেখ করেছিলেন ৪৭ বছর। ২০২৬ -এ দাঁড়িয়ে তাঁর বয়স পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই। অর্থাৎ হিসেব বলছে নতুন বউ হৃতিকার সঙ্গে হিরণের বয়সের ফারাক প্রায় তিরিশ বছর।
টিভি নাইন বাংলাকে অনিন্দিতা বলেছেন, বেশ কয়েক দিন ধরেই হৃতিকা ও হিরণের বিষয়টা কানে এসেছিল তাঁর। এমনকী, তিনি জানতেন, হৃতিকা, হিরণের পিএ হিসেবেই কাজ করতেন। এমনকী, অনিন্দিতা বলেন, ”আমি শুনেছিলাম মেয়েটা নাকি হিরণকে ব্ল্যাকমেল করতেন। ছবি দেখে মনে হচ্ছে না ব্ল্য়াকমেল করছিল!”
২০০০ সালের ১১ ডিসেম্বর হিরণের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন অনিন্দিতা। তাঁদের রয়েছে একটি মেয়েও। যাঁর এখন বয়স ১৯। টিভি নাইন বাংলাকে অনিন্দিতা বলেন, ”আমাদের বিয়ের বয়স ২৫। ডিভোর্স হয়নি। মেয়ে ও আমার উপর খুব অত্য়াচার হয়েছে।কাউকে এটা বলিনি, কারণ মেয়েরও একটা কেরিয়ার রয়েছে। সেটা নষ্ট করতে চাইনি। এখন আর বলার কিছু নেই। সবাই তো সব কিছু দেখতেই পাচ্ছে। বলার কোনও ভাষা নেই। কতটা অভদ্র একটা লোক হতে পারে, আবার ইনস্টাগ্রাম থেকে বিয়ের ছবি পোস্ট করেছিল। কোনওদিন তো মেয়ের একটাও ছবি পোস্ট করেনি! এর থেকে বোঝা যায়, কতটা খারাপ মানুষ হিরণ।”