AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bigg Boss Bangla: জীতু ‘গণ্ডার’, ভরত ‘কুমির’, মনামী ‘টিকটিকি’! কেন হঠাৎ সবাইকে এমন বললেন নিরঞ্জন-ঝিলম?

Bigg Boss Bangla Update: এই শো-তে নিজের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, "পরিবারের কথা খুব মনে পড়ছে, এই পরিবেশের সঙ্গে হয়তো ঠিক খাপ খাইয়ে নিতে পারছি না। নিজেকে জাহির করার জন্য এখানে সবচেয়ে সহজ পথ হল অসভ্যতা করা।

Bigg Boss Bangla: জীতু 'গণ্ডার', ভরত 'কুমির', মনামী 'টিকটিকি'! কেন হঠাৎ সবাইকে এমন বললেন নিরঞ্জন-ঝিলম?
| Updated on: Sep 22, 2026 | 6:57 PM
Share

‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে সম্প্রতি জমে উঠেছিল এক মজাদার ও হালকা চালের আড্ডা। এক আলসে দুপুরে নিরঞ্জন মণ্ডল, ঝিলম গুপ্ত এবং সোহিনী পালকে একসঙ্গে গল্পে মেতে উঠতে দেখা যায়। আড্ডার মাঝেই নিরঞ্জন একের পর এক প্রতিযোগীর নাম বলতে শুরু করেন, আর তাঁদের স্বভাব ও ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কোন পশুর মিল রয়েছে, তা রসিকতার ছলে ব্যাখ্যা করতে থাকেন সোশ্যাল মিডিয়া তারকা ঝিলম।

খেলার শুরুতেই ভরত কলের নাম উঠলে ঝিলম সোজাসুজি তাঁকে ‘কুমির’-এর সঙ্গে তুলনা করে বসেন। কারণ হিসেবে জানান, ভরত নাকি এক জায়গায় নিথর হয়ে বসে থাকেন আর শুধু চা খান! মনামী ঘোষের নাম শুনে তিনি বলেন ‘টিকটিকি’। নিরঞ্জন তখন প্রশ্ন করেন, “টিকটিকি নাকি গিরগিটি?” জবাবে ঝিলম রসিকতা করে বলেন, “গিরগিটির তাও অন্তত রঙ বদলানোর গুণ আছে, ও টিকটিকিই!”

তালিকা থামেনি এখানেই। সৃজলা গুহকে ঝিলম তুলনা করেন ‘বল পাইথন’-এর সঙ্গে, আর জীতু কমলকে ডাকেন ‘গণ্ডার’ বলে। কেন গণ্ডার? ঝিলমের মতে, জীতুর শারীরিক গঠন আর শক্তির জন্যই এই উপাধি। অন্যদিকে গায়ক দুর্নিবার সাহাকে তিনি ‘রাকুন ডগ’ বলেন— কারণ তাঁর মতে দুর্নিবার নাকি বেশ মিষ্টি! প্রতিযোগী দীপেন্দুকে ‘হাতি’র সঙ্গে তুলনা করলেও সঙ্গে সঙ্গেই ঝিলম স্পষ্ট করে দেন, “আমি কিন্তু বডি শেম করছি না। ও আসলে একজন লেজেন্ড, আকারে-প্রকারে বেশ বড়সড়, তাই বললাম।”

তবে হাসিমুখের আড্ডার পেছনেই লুকিয়ে ছিল মানসিক টানাপোড়েন। অন্য এক দৃশ্যপটে নিরঞ্জনকে দেখা যায় ‘বিগ বস’-এর কনফেশন রুমে গিয়ে নিজের মনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব প্রকাশ করতে। এই শো-তে নিজের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “পরিবারের কথা খুব মনে পড়ছে, এই পরিবেশের সঙ্গে হয়তো ঠিক খাপ খাইয়ে নিতে পারছি না। নিজেকে জাহির করার জন্য এখানে সবচেয়ে সহজ পথ হল অসভ্যতা করা। শব্দচয়ন ভুল হলে ক্ষমা করবেন, কিন্তু মনে হচ্ছে নিজের আসল ব্যক্তিত্ব ধরে রাখাটাই যেন এক অপরাধ। বুঝতে পারছি না, নিজের আসল রূপ দেখাব, নাকি টিআরপির জন্য ছিঁচকে ব্যবহার করব!”

নিরঞ্জনের এই আবেগঘন কথা শুনে তাঁকে সান্ত্বনা ও সাহস জোগায় ‘বিগ বস’। তাঁকে আশ্বস্ত করে জানানো হয় যে, তিনি সম্পূর্ণ যোগ্য বলেই এই প্রতিযোগিতায় স্থান পেয়েছেন। আর এই খেলায় টিকে থাকার জন্য নিজের নীতি বা ব্যবহার বদলানোর কোনও প্রয়োজন নেই, তিনি যেন নিজের মতো স্বাভাবিক থাকেন।

Follow Us