AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kangana Ranaut: ‘সিডাকশন আর ভালগারিটির মধ্যে সুক্ষ ফারাক রয়েছে’! ‘পেড্ডি’ বিতর্কে বোমা ফাটালেন কঙ্গনা

Peddi Movie Controversy: রাম চরণের ‘পেড্ডি’ ছবিতে জাহ্নবী কাপুরের চরিত্র নিয়ে নেটপাড়ায় তুমুল বিতর্ক। এবার রুপোলি পর্দার এক চিরন্তন বিতর্ক, নারীদের পণ্য বা ‘অবজেক্ট’ হিসেবে দেখানোর মানসিকতা, হাইপার-সেক্সুয়ালাইজেশন বা অতিরিক্ত যৌনতার প্রদর্শন নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা।

Kangana Ranaut: 'সিডাকশন আর ভালগারিটির মধ্যে সুক্ষ ফারাক রয়েছে'! ‘পেড্ডি’ বিতর্কে বোমা ফাটালেন কঙ্গনা
বোমা ফাটালেন কঙ্গনা
| Updated on: Jun 09, 2026 | 11:39 AM
Share

কঙ্গনা রানাওয়াত (Kangana Ranaut) মানেই সোজা ব্যাটে ছক্কা। বলিউডের এই ‘কুইন’ নিজের মতামত প্রকাশ করতে কখনও পিছপা হন না। এবার তাঁর নিশানায় রুপোলি পর্দার এক চিরন্তন বিতর্ক— নারীদের পণ্য বা ‘অবজেক্ট’ হিসেবে দেখানোর মানসিকতা। সাউথ সুপারস্টার রাম চরণের আসন্ন ছবি ‘পেড্ডি’ (Peddi)-তে জাহ্নবী কাপুরের চরিত্রায়ণ নিয়ে যখন সোশাল মিডিয়ায় তুমুল ঝড় উঠেছে, ঠিক তখনই এই হাইপার-সেক্সুয়ালাইজেশন বা অতিরিক্ত যৌনতার প্রদর্শন নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা।

আসলে ‘পেড্ডি’ ছবিতে জাহ্নবীর ‘অচিয়ম্মা’ চরিত্রের কিছু দৃশ্য ও ছবি ফাঁস হতেই বিতর্ক দানা বাঁধে। দর্শকদের একাংশের অভিযোগ, জাহ্নবীর কোমর এবং শরীরকে একটু বেশিই চটকদার ও অপ্রয়োজনীয়ভাবে ক্যামেরায় বন্দি করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছবির পরিচালক বুচি বাবু সানা ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন এবং বিতর্কিত দৃশ্যগুলো ছেঁটে ফেলার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু আসল বিতর্ক তো অন্য জায়গায়! সিনেমা কি সত্যিই নারীদের কেবল পণ্য হিসেবেই দেখায়?

একটি সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা এই বিষয়ে এক্কেবারে অন্য এক বাস্তব দিক তুলে ধরেছেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, নারীদের পণ্য বানানোর প্রবণতা শুধু সিনেমাতেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়েছে। কঙ্গনার কথায়, “আপনি যদি লোকাল ট্রেন বা বাসে যাতায়াত করেন, সেখানেও নারীদের ধাক্কাধাক্কি বা হেনস্থার শিকার হতে হয়। রাস্তায় চলতে গেলেও একই জিনিস ঘটে। তাই শুধু সিনেমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো মোটেও ঠিক নয়।”

তবে বলিউড যে ধোঁয়া তুলসী পাতা নয়, তাও নির্দ্বিধায় মেনে নিয়েছেন কঙ্গনা। নব্বইয়ের দশকের ‘সেক্সি সেক্সি আমাকে লোক বলে’ কিংবা ‘সরকাইলো খাটিয়া’র মতো আইটেম গানের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “সিনেমা মাঝেমধ্যে নারীদের প্রতি বড্ড নিষ্ঠুর আচরণ করেছে। সেডাকশন (আকর্ষণ) আর ভালগারিটি (অশ্লীলতা)-র মাঝখানের সূক্ষ্ম রেখাটা অনেক সময়ই জেনেশুনে বা অজান্তে মুছে গিয়েছে।” বিনোদন দুনিয়ার এটাই বাস্তব চরিত্র বলে মনে করেন তিনি।

একই সঙ্গে বর্তমানের ‘উগ্র ট্রোলিং কালচার’ নিয়েও তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কঙ্গনা। তাঁর দাবি, আজকাল কোনও কিছুর পুরো গল্প বা প্রেক্ষাপট না জেনেই সমাজমাধ্যমে নির্মম ট্রোলিং শুরু হয়ে যায়। কঙ্গনার বক্তব্য, “গল্পের খাতিরে কামুকতা বা যৌনতার প্রদর্শন হতেই পারে, সেটাও তো শিল্পের অংশ। সিনেমা কোনও পড়াশোনার বিষয় নয়, মানুষ এখানে বিনোদনের জন্য আসেন।” অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা এবং পক্ষপাতদুষ্ট ট্রোলিং যে সুস্থ বিনোদনের ক্ষতি করছে, তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই বলিউড সুন্দরী।

Follow Us