AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kareena Kapoor Khan: রক্তে ভাসছেন সইফ, রাতের পোশাকেই রাস্তায় দৌড়ে অটোর খোঁজে করিনা! তারপর?

Saif Ali Khan stabbing incident: গত বছরের ভয়াবহ সেই রাতের কথা মনে করে শিউরে উঠলেন সইফ-করিনা। 'কফি উইথ করণ'-এ এসে ফাঁস করলেন অজানা এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার কথা। কী ঘটেছিল সেই অভিশপ্ত রাতে? কী বলেছিলেন তিনি?

Kareena Kapoor Khan: রক্তে ভাসছেন সইফ, রাতের পোশাকেই রাস্তায় দৌড়ে অটোর খোঁজে করিনা! তারপর?
কী ঘটেছিল সেই রাতে?
| Updated on: Nov 05, 2026 | 10:07 AM
Share

করিনা কাপুর (Kareena Kapoor)-এর কাছে ওই রাতটা ছিল এক ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন। চোখের সামনে স্বামী সইফ আলি খান (Saif Ali Khan) রক্তে ভাসছেন। আর তাঁকে বাঁচাতে রাতের সাধারণ পোশাকেই রাস্তায় পাগলের মতো ছুটে বেড়াচ্ছেন খোদ বলিউড ডিভা! সিনেমার কোনও দৃশ্য নয়, এটাই ছিল সইফ-করিনার জীবনের অন্যতম ভয়ানক একটা রাত। সম্প্রতি ‘কফি উইথ করণ’ সিজন ৯-এ এসে এই রোমহর্ষক ঘটনার কথাই শোনালেন তারকা দম্পতি।

কী ঘটেছিল সেই অভিশপ্ত রাতে?

ঘটনাটা ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারির। বান্দ্রার বাড়িতে তখন সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন। আচমকাই এক আততায়ী ঢুকে পড়ে বাড়িতে। সইফকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে সে। মেরুদণ্ডের কাছে গভীর চোট পান অভিনেতা। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় লীলাবতী হাসপাতালে। সেখানে তাঁর জরুরি অস্ত্রোপচার হয়।

সেই রাতের কথা বলতে গিয়ে সইফ জানান, তাঁর বড় ছেলে ইব্রাহিমকে তিনি কখনও ওরকমভাবে কাঁদতে দেখেননি। বাবাকে ওই অবস্থায় দেখে রাগে আর দুঃখে ফেটে পড়েছিলেন ইব্রাহিম। আততায়ীকে খুঁজে বের করে বাবার হয়ে বদলা নিতে চেয়েছিলেন তিনি।

‘বাবা তুমি কি মারা যাবে?’ করিনা জানান, সেই রাতে বাড়িতে কোনও ড্রাইভার ছিল না। তাই বাধ্য হয়েই ওই রাতের পোশাকে রাস্তায় নেমে অটো ডাকতে শুরু করেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভাগ্য ভালো, সেই সময় কেউ আমার ভিডিয়ো করেনি। আমি পাগলের মতো চিৎকার করে অটো থামাচ্ছিলাম।”

তবে সবচেয়ে বেশি মন খারাপ করা ঘটনাটি ঘটেছিল ছোট্ট তৈমুরকে নিয়ে। ৯ বছরের তৈমুরও সেদিন ভয় পেয়ে গিয়েছিল। বাবাকে ওই অবস্থায় দেখে সে জিজ্ঞেস করেছিল, “বাবা, তুমি কি মারা যাবে?” এই কথা শুনে নিজেদের চোখের জল আটকে রাখতে পারেননি কেউই।

এত বড় বিপদের পরেও রক্ষে ছিল না। সোশাল মিডিয়ায় অদ্ভুত সব গুজব ছড়াতে থাকে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, এত বড় ঘটনার কয়েকদিন পরেই সইফকে এত স্বাভাবিক দেখাচ্ছিল কী করে? করিনা এই সব গুজবকে সটান উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সোজা কথা, পুলিশ তো তদন্ত করে দোষীকে ধরেছে। তাহলে পুলিশও কি তাঁদের সঙ্গে এই সব গুজবে শামিল ছিল?

Follow Us