লোকসভায় টিকিট পাননি, যা হচ্ছে তাতেই নাকি চরম ‘বিরক্তি’ নুসরতের!
Nusrat Jahan: কেন নুসরতকে প্রার্থী করা হল না এবারে? সন্দেশখালিতে ইডি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর হামলার পর থেকে সামনে আসে এলাকার বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের নাম। শোনা যায় এই শাহজাহানের বাহুবলেই ভোটে জিতে এসেছিলেন নুসরত।

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিট পাননি বসিরহাটের সাংসদ নুসরত জাহান। এমনকি প্রথম দফার ভোট উপলক্ষে তারকা প্রার্থীদের যে প্রচার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে সেখানেও নেই নুসরতের নাম। এই মুহূর্তে রাজনীতিতে খানিক ব্যাকফুটেই আছেন নুসরত। আর তাতেই যা দেখছেন সেটিই বিরক্তির উদ্রেক করছে তাঁর মনে? নুসরতের ইনস্টা স্টোরি কিন্তু বলছে এমনটাই। ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন তিনি। ভিডিয়োটি করণ জোহরের সেই আইকনিক ছবি ‘কভু খুশি কভি গাম’-এর অংশ বিশেষ। নুসরত যে অংশটি শেয়ার করেছেন তা করিনা কাপুরের সংলাপ। দেখা যাচ্ছে, যা দেখছেন তাতেই বিরক্ত হচ্ছেন করিনা। তিনি লেখেন, “যা হচ্ছে তা দেখেই একটাই অনুভূতি বের হচ্ছে ‘হোয়াটএভার’।” প্রশ্ন উঠেছে নুসরতের ওই পোস্ট কি ইঙ্গিতবাহী? কেন এত বিরক্ত তিনি?
কেন নুসরতকে প্রার্থী করা হল না এবারে? সন্দেশখালিতে ইডি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর হামলার পর থেকে সামনে আসে এলাকার বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের নাম। শোনা যায় এই শাহজাহানের বাহুবলেই ভোটে জিতে এসেছিলেন নুসরত। অভিনেত্রীকে ভোটে জেতানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন। ভোটের সময় নাকি এলাকা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকত এই শাহজাহানের উপরেই। শাহজাহানকে কেন্দ্র করে সন্দেশখালি উত্তাল তখন একবারের জন্যও সেখানে যাননি খোদ সাংসদ। এমনকি কেন জাননি, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও সন্তোষজনক উত্তর দিতে দেখা যায়নি তাঁকে। বরং ধারা ভুল বলায় হয়েছিলেন সমালোচিতও।
যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেছিলেন, “নুসরত জাহানের সন্দেশখালির মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিল। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর যাওয়া দরকার ছিল।” সে কারণেই কি তৃণমূল ‘রিস্ক’ নিলেন না এবার? বাদ পড়লেন নুসরত? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা তেমনটাই। নুসরতের বদলে এবার বসিরহাটের প্রার্থী হচ্ছেন ‘ঘরের ছেলে’ নুরুল ইসলাম।

যা হচ্ছে তাতেই নাকি চরম ‘বিরক্তি’ নুসরতের!
