পাননি টিকিট, রাত বাড়তেই এল নুসরতের বার্তা, ‘আবারও শক্তি…’
Nusrat Jahan: সন্দেশখালিতে ইডি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর হামলার পর থেকে সামনে আসে এলাকার বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের নাম। শোনা যায় এই শাহজাহানের বাহুবলেই ভোটে জিতে এসেছিলেন নুসরত। অভিনেত্রীকে ভোটে জেতানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন।

ঠিক যেমনটা শোনা যাচ্ছিল তেমনটাই ঘটল এ দিন অর্থাৎ রবিবার, ব্রিগেডের মঞ্চে। লোকসভা ভোটে তৃণমূলের টিকিট এবারে পেলেন না বসিরহাটের সাংসদ নুসরত জাহান। সন্দেশখালির ঘটনার প্রেক্ষাপটে প্রায়শই প্রশ্নের মুখে পড়েছে নুসরতের ভূমিকা। কেন তাঁর দেখা মেলেনি, কেন সন্দেশখালির পাশে দাঁড়াননি, কেন সেখানকার মহিলাদের সঙ্গে কথা বলেননি, সেই প্রশ্ন যেমন তুলেছে বিরোধীরা। তেমনই তুলেছে সন্দেশখালির লোকজন। শুধু কি তাই? যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেছিলেন, “নুসরত জাহানের সন্দেশখালির মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিল। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর যাওয়া দরকার ছিল।” সে যাই হোক, এ দিন ব্রিগেডের মঞ্চেও দেখা যায়নি তাঁকে। টিকিট না পাওয়ার পরেই ছিলেন চুপ। ফোনেও পাওয়া যায়নি তাঁকে।
তবে রাত বাড়তেই নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরি পোস্ট করলেন অভিনেত্রী। নিয়ন আলো ধুয়ে দিচ্ছে তাঁকে। ক্যাপশনে নুসরত লেখেন, “আবারও শক্তি সঞ্চয় করে নিচ্ছি, বাকি সপ্তাহটার জন্য”। ব্যস আর কিচ্ছু লেখেননি নুসরত। কেন নুসরতকে প্রার্থী করা হল না এবার?
সন্দেশখালিতে ইডি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর হামলার পর থেকে সামনে আসে এলাকার বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের নাম। শোনা যায় এই শাহজাহানের বাহুবলেই ভোটে জিতে এসেছিলেন নুসরত। অভিনেত্রীকে ভোটে জেতানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন। ভোটের সময় নাকি এলাকা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকত এই শাহজাহানের উপরেই। শাহজাহান-বিনা নুসরত, তাঁকে নিয়ে বারবার বিতর্কের কারণেই কি আস্থা রাখতে পারল না দল? মিমি নিজেই জানিয়েছিলেন তিনি প্রার্থী হতে চান না তবে নুসরতের এ ক্ষেত্রে এমনটা শোনা যায়নি। প্রসঙ্গত, নুসরতের জায়গায় এবারে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে দাঁড়াচ্ছেন ‘ঘরের ছেলে’ নুরুল ইসলাম।

