
একজন হলিউড ও বলিউড স্টার। আরেকজন বিশ্বখ্যাত গায়ক। দুজনেই তুমুল ব্যস্ত। কখনও নিউ ইর্য়ক ছুটছেন তো, কখনও ছুটছেন কানাডা। ছবির শুটিংয়ে প্রিয়াঙ্কার তো মুম্বইয়ে আসা যেন ডেলি প্যাসেঞ্জারি। এরই মাঝে ছোট্ট মালতীকে একেবারে সময়ই দিতে পারছেন দেশিগার্ল ও তাঁর স্বামী নিক। কী উপায়? কার কাছে বড় হচ্ছে ছোট্ট মালতী? সম্প্রতি গোল্ডেন গ্লোবের অনুষ্ঠানে এসে মেয়ের কথা উঠতেই গোটা ব্যাপারটা পরিষ্কার করে দিলেন দেশিগার্ল। স্পষ্ট জানালেন, তাঁদের মেয়ে মালতীকে কীভাবে বড় করছেন তাঁরা।
কর্মব্যস্ত বাবা-মায়ের জন্য মোক্ষম দাওয়াই কী? প্রিয়াঙ্কাকে প্রশ্ন করা হলে, উত্তরটা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার কাছে অত্যন্ত সহজ— ‘দাদা-দিদা বা ঠাকুরদা-ঠাকুমা’। লস অ্যাঞ্জেলেসে ৮৩তম গোল্ডেন গ্লোবস-এর রেড কার্পেটে দাঁড়িয়ে এভাবেই নিজের ব্যক্তিগত জীবনের রহস্য ফাঁস করলেন দেশি গার্ল।
‘এক্সট্রা টিভি’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা হাসিমুখে বলেন, “ওয়ার্কিং প্যারেন্টসদের জন্য সবথেকে বড় গোপন কৌশল হল গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস। আমরা শুধু বাবা-মায়ের কাছে আবদার করি যাতে তাঁরা এসে কিছুদিন আমাদের সঙ্গে থাকেন। সেই সুযোগে আমরা বাইরে গিয়ে শুটিং শেষ করে বাড়ি ফিরি। এটাই আমার আসল ট্রিক।” প্রিয়াঙ্কার এই অকপট স্বীকারোক্তি মুহূর্তেই নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়েছে। নেটিজেনদের অনেকেই এই মন্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন।
স্ত্রী প্রিয়াঙ্কার কথায় সায় দিয়েছেন স্বামী ও পপ তারকা নিক জোনাসও। পরিবারের সমর্থনকে কৃতিত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “পরিবারের সাহায্য অবশ্যই বড় বিষয়। তবে আমরা চেষ্টা করি যাতে একে অপরের থেকে এবং আমাদের সন্তান মালতী মেরি-র থেকে খুব বেশিদিন দূরে থাকতে না হয়। আমি সেই শান্ত মুহূর্তগুলোকে খুব গুরুত্ব দিই যখন আমরা তিনজনে একসঙ্গে কাটাই। ওটাই আমাদের নতুন করে শক্তি জোগায়।”
এদিন জোনাথন অ্যান্ডারসনের ডিজাইন করা কাস্টম ব্লু ডিওর গাউনে মোহময়ী রূপে ধরা দেন প্রিয়াঙ্কা। সিল্কের বডিস আর মেট স্কার্টের সেই গাউনের সঙ্গে তিনি পরেছিলেন বুলগারি হিরের গয়না। অন্যদিকে, নিক জোনাস বেছে নিয়েছিলেন ক্ল্যাসিক কালো স্ট্রাইপড টাক্সিডো।