
টলিউডে দশকের পর দশক বাংলা সিনেমায় রাজত্ব করছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। টলিপাড়ার সকলের বুম্বাদা । টলিপাড়ার অন্দরে নিন্দুকরা চর্চা চলতেই থাকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বহু নায়ক নায়িকার কেরিয়ার করতে দেয়নি। তবে বাংলা সিনেমার প্রৌঢ় অভিনেত্রী অনামিকা সাহা যিনি নেগেটিভ চরিত্র করে নাম করেছেন, তাঁর কেরিয়ার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
সম্প্রতি উইন্ডোজ প্রযোজনা সংস্থার ছবি ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’ এ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন অনামিকা সাহা। সেই ছবির প্রচারে এসে নস্টালজিক হয়ে পড়লেন অনামিকা সাহা। তিনি টিভিনাইন বাংলাকে জানালেন, ” আমার কেরিয়ার তৈরিতে সাহায্য করেছে বুম্বা ( প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়)। প্রথম থেকেই আমার সঙ্গে ভাল সম্পর্ক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের। সেই কবে থেকে দেখছি বুম্বাকে। যখন থেকে বুম্বা স্ট্রাগল করছে, ওর মাও সঙ্গে আসত। সেই সময় থেকে , আমার থেকে কয়েক বছরের ছোট বুম্বা। তবে বুম্বার বহু ছবিতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। কখনও নেগেটিভ কখনও পজিটিভ সব ছবি হিট। জার্নিটা শুরু হয় ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ‘ থেকে। তখন তো স্টুডিও র অফিসে ডেকে পাঠানো হত। পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী সঙ্গে নতুন প্রযোজক এসেছিল এস ভি এফ। অনেকেই হরনাথকে বারণ করছে আমায় চরিত্রে নেওয়ার জন্য। ছবির এডিটর বলেছেন, হিন্দিতে যে ছবিতে হেমা মালিনীর মত গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী অভিনয় করেছেন, সেখানে অনামিকাকে মানাবে না, নাম বলব না আমার এক সুন্দরীসহ অভিনেত্রীকে নেওয়ার কথা বলেন, ঠিক তখনই বুম্বা এগিয়ে এসে বলে , “সুন্দরী হলেই হবে না ভালো অভিনেত্রীও হতে হবে। আমার মনে হচ্ছে অনামিকাদি ভালো করবে চরিত্রটা। না পারলে তখন আমায় বোলো তোমরা। এর পর তো সকলেই জানে ছবিটা কত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এরপর থেকে বুম্বা থাকলেই সেই ছবিতে আমায় নেওয়া হত। পজিটিভ নেগেটিভ প্রচুর চরিত্র করেছি। সেই ২০০০ সাল থেকে বহু ছবি ‘প্রতিবাদ ‘, ‘মায়ের আঁচল’, ‘পরিবার’, ‘সঙ্গী’ প্রত্যেকটা ছবি হিট।”