পাকিস্তানেও তৈরি হোক ‘Dhurandhar: the Truth’, প্রতিবেশী দেশকে বার্তা পরিচালকের

মুক্তির পর থেকেই ‘ধুরন্ধর ২’-এর বিষয়বস্তু ও বিশেষ কিছু স্পর্শকাতর ইস্যুর চিত্রায়ণ নিয়ে সীমান্তের ওপার থেকে তীব্র সমালোচনা ধেয়ে আসছিল। পাকিস্তানি দর্শকদের একাংশ ছবিটির ন্যারেটিভ বা গল্প বলার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাম গোপাল ভার্মা সেই সমালোচনাকে আমল না দিয়ে বরং সিনেমা দিয়েই তার পাল্টা জবাব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

পাকিস্তানেও তৈরি হোক Dhurandhar: the Truth, প্রতিবেশী দেশকে বার্তা পরিচালকের

|

Mar 24, 2026 | 5:50 PM

বক্স অফিসে ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ (Dhurandhar 2) ছবিটিকে ঘিরে বিতর্কের পারদও চড়ছে সমানতালে। এবার এই বিতর্কে ঘি ঢাললেন খোদ বিতর্কিত পরিচালক রাম গোপাল ভার্মা । তবে এবার তাঁর নিশানায় কোনও ভারতীয় সমালোচক নন, বরং সরাসরি প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান। ছবিটিকে ‘প্রোপাগান্ডা’ বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার বলে যাঁরা দেগে দিচ্ছেন, তাঁদের উদ্দেশে একপ্রকার চ্যালেঞ্জই ছুড়ে দিয়েছেন আরজিবি।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে রাম গোপাল ভার্মা লিখেছেন, “পাকিস্তানের যাঁরা দাবি করছেন #Dhurandhar2 একটি মিথ্যেয় ভরা প্রোপাগান্ডা সিনেমা, তাঁদের জন্য আমার কাছে একটা চমৎকার আইডিয়া আছে। আপনারা আপনাদের নিজেদের কোনও পাকিস্তানি ‘আদিত্য ধর’-কে খুঁজে বের করুন এবং ‘#DhurandharTheTruth’ নামে একটা পাল্টা ছবি বানিয়ে ফেলুন।”

মুক্তির পর থেকেই ‘ধুরন্ধর ২’-এর বিষয়বস্তু ও বিশেষ কিছু স্পর্শকাতর ইস্যুর চিত্রায়ণ নিয়ে সীমান্তের ওপার থেকে তীব্র সমালোচনা ধেয়ে আসছিল। পাকিস্তানি দর্শকদের একাংশ ছবিটির ন্যারেটিভ বা গল্প বলার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাম গোপাল ভার্মা সেই সমালোচনাকে আমল না দিয়ে বরং সিনেমা দিয়েই তার পাল্টা জবাব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, বিতর্কের বদলে পাল্টা সৃজনশীলতা দেখানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

এই প্রথম নয়, ‘ধুরন্ধর ২’ মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই আদিত্য ধরের এই প্রজেক্টের সমর্থনে ক্রমাগত ব্যাট করে যাচ্ছেন রাম গোপাল। এর আগে তিনি এই ছবিটিকে ভারতীয় সিনেমার জন্য একটি ‘রিসেট বাটন’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তাঁর মতে, আগামী দিনের নির্মাতাদের এই ছবিটিকে মাপকাঠি হিসেবে ধরে কাজ করতে হবে, অন্যথায় তাঁরা পিছিয়ে পড়বেন।

এখানেই শেষ নয়, রাম গোপাল বর্মা ছবিটিকে ‘সিনেমার নতুন যুগের জন্ম’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি এমনকি স্টিভেন স্পিলবার্গ বা ক্রিস্টোফার নোলানের মতো বিশ্বখ্যাত পরিচালকদেরও প্রথম দিনেই এই ছবিটি দেখার পরামর্শ দিয়েছেন। এক ধাপ এগিয়ে তিনি দাবি করেছিলেন যে, এই ছবির তুলনায় ‘শোলে’ বা ‘মুঘল-এ-আজম’-এর মতো ধ্রুপদী সিনেমাগুলোও ফিকে মনে হতে পারে।

বক্স অফিসে দাপট দেখানোর পর এবার আরজিবি-র এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন কোনো বিতর্কের জন্ম দেয় কি না, সেটাই এখন দেখার।

 

 

Follow Us