AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘তুমি আমায় পাশে পাবে না!’ ছেলে ইব্রাহিমকে কেন কড়া বার্তা সইফের?

কিন্তু তাঁর মতে, সমস্যাটা অন্য জায়গায়। সইফ বলেন, "যখন কেউ নিজের কাজে তুখোড় হয়, তখন দর্শকরা তাকে মেনে নেয়। কিন্তু সমস্যা তখনই হয়, যখন কেউ বারবার সুযোগ পাওয়ার পরেও জঘন্য কাজ করে। তখন সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তোলে, যোগ্য কেউ সুযোগ পাচ্ছে না, অথচ এই ব্যক্তিটি একের পর এক সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে। আমার মনে হয়, এটা সত্যিই অন্যায়।"

'তুমি আমায় পাশে পাবে না!' ছেলে ইব্রাহিমকে কেন কড়া বার্তা সইফের?
| Updated on: Mar 07, 2026 | 1:02 PM
Share

রুপোলি পর্দায় পা রেখেছেন সইফ-পুত্র ইব্রাহিম আলি খান। করণ জোহরের প্রযোজনায় ‘নাদানিয়া’ ছবির হাত ধরে বলিউডে অভিষেক হলেও, বক্স অফিস বা সমালোচক— কারোরই খুব একটা মন জয় করতে পারেননি তিনি। এরপর তাঁর দ্বিতীয় ছবি ‘সরজমিন’-এর ফলাফলও তথৈবচ। ছেলের কেরিয়ারের এই নড়বড়ে শুরুতে এবার মুখ খুললেন বাবা সইফ আলি খান। সাফ জানালেন, কেবল বংশপরিচয় দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা অসম্ভব।

স্বজনপোষণ বিতর্কে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে সইফ স্বীকার করে নেন যে, একটি বিখ্যাত পদবী লড়াইয়ের ময়দানকে অসম করে দেয়। শর্মিলা ঠাকুরের সন্তান হওয়ার সুবাদে তিনি নিজেও এই সুবিধা পেয়েছেন। কিন্তু তাঁর মতে, সমস্যাটা অন্য জায়গায়। সইফ বলেন, “যখন কেউ নিজের কাজে তুখোড় হয়, তখন দর্শকরা তাকে মেনে নেয়। কিন্তু সমস্যা তখনই হয়, যখন কেউ বারবার সুযোগ পাওয়ার পরেও জঘন্য কাজ করে। তখন সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তোলে, যোগ্য কেউ সুযোগ পাচ্ছে না, অথচ এই ব্যক্তিটি একের পর এক সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে। আমার মনে হয়, এটা সত্যিই অন্যায়।”

একজন বাবা হিসেবে ইব্রাহিমকে কী ধরণের পরামর্শ দিচ্ছেন সইফ? পডকাস্টে অভিনেতা জানান, তিনি সব সময় তাঁর সন্তানদের পাশে আছেন, কিন্তু সেই সাহায্যের একটা সীমা থাকা উচিত। বিশেষ করে যখন কেউ শুরু থেকেই অনেক সুযোগ আর সুবিধা পেয়ে কেরিয়ার শুরু করে।

ইব্রাহিমের উদ্দেশ্যে সইফ বলেন, “আমি ইব্রাহিমকেও বলেছি আমি জানি না এই সময়ে তোমার পাশে দাঁড়িয়ে হাত ধরাটা আমার ঠিক হবে কি না। কারণ তুমি কে, সেই পরিচয়েই তুমি অনেক কিছু পেয়ে গেছ। তাই এখন যা করার, তোমাকেই নিজের যোগ্যতায় করতে হবে।”

সইফ মনে করেন, প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে যখন কেউ সফল হয়, সাধারণ মানুষ তার থেকে প্রেরণা পায়। কিন্তু বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরেও যখন ‘স্টার কিড’রা বড় বড় প্রজেক্ট পায়, তখন তা জনমানসে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। ইব্রাহিম আলি খানের জন্য এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এখন দেখার, বাবার এই কড়া শাসন আর বাস্তবের পাঠ নিয়ে ইব্রাহিম আগামী দিনে নিজেকে কতটা প্রমাণ করতে পারেন।