মনের সুরে নতুন গান আনলেন সায়নী পালিত
হৃদয়ের দৃষ্টিতে পৃথিবীকে দেখা, গানের সুরেই পৃথিবীতে রং ভরে দেন গায়িকা সায়নী পালিত। তাঁর ‘সাওয়ারে’ গানের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ হয়ে গেল। সম্প্রতি কলকাতায়, মার্চেন্ট রেকর্ডস আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করল নতুন মৌলিক গান 'সাওয়ারে'। এই গানটি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ধারা ঠুমরিকে আধুনিক সুরের সঙ্গে মেলানোর এক নতুন প্রয়াস। কলকাতায় আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে গানটির উদ্বোধন হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা আবীর চট্টোপাধ্যায় সহ সঙ্গীত ও চলচ্চিত্র জগতের বিশিষ্টজনরা।

হৃদয়ের দৃষ্টিতে পৃথিবীকে দেখা, গানের সুরেই পৃথিবীতে রং ভরে দেন গায়িকা সায়নী পালিত। তাঁর ‘সাওয়ারে’ গানের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ হয়ে গেল। সম্প্রতি কলকাতায়, মার্চেন্ট রেকর্ডস আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করল নতুন মৌলিক গান ‘সাওয়ারে’। এই গানটি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ধারা ঠুমরিকে আধুনিক সুরের সঙ্গে মেলানোর এক নতুন প্রয়াস। কলকাতায় আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে গানটির উদ্বোধন হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা আবীর চট্টোপাধ্যায় সহ সঙ্গীত ও চলচ্চিত্র জগতের বিশিষ্টজনরা।
‘সাওয়ারে’-তে সুর ও কণ্ঠ দিয়েছেন গায়ক-সুরকার সায়নী পালিত। গানটির সংগীতায়োজন করেছেন নীলাঞ্জন ঘোষ, যিনি শাস্ত্রীয় ও আধুনিক ধারার মধ্যে এক সুন্দর মেলবন্ধন তৈরি করেছেন। মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক সত্রাজিত্ সেন। এতে অভিনয় করেছেন সুপ্রতিম রায় ও সায়নী দত্ত।
গানটি সম্পর্কে সায়নী পালিত বলেন, “এই গানটি আমার কাছে খুব ব্যক্তিগত অনুভূতির মতো। ঠুমরির আবেগ থেকেই এই গানের জন্ম, তবে এটি আজকের সময়ের ভাষায় কথা বলে। সঙ্গীতই আমার পৃথিবী দেখার মাধ্যম—এবং এই সৃষ্টির মাধ্যমে আমি শ্রোতাদের আমন্ত্রণ জানাতে চেয়েছি।” পরিচালক সত্রাজিত্ সেন জানান, এই গানটা শোনার পর আমার মাথায় এসেছে যে ভিডিও শুটিং এর জন্য আমার দরকার রাজবাড়ি যেখানে আছে, তেমন জায়গা। আমি চেয়েছিলাম যে আমাদের গায়িকা সায়নী যেন মনের মাধ্যমেই দেখতে পায়। আমার মাথায় একটা স্টোরিলাইন এসেছিল। আমাদের সাধ্যমতো যতটা হয় সবাই মিলে এই ভিডিও তৈরি করেছি। এখন গান শোনার সঙ্গে-সঙ্গে দেখার একটা অভ্যাস হয়েছে। দেখা যাক দর্শক এবং শ্রোতাদের কতটা পছন্দ হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আবীর চট্টোপাধ্যায় ‘সাওয়ারে’-এর প্রশংসা করে বলেন, “সায়নীকে আমি অনেক দিন চিনি। আমার ‘অসুর’-এ সায়নী গান গেয়েছিল। সায়নীর কণ্ঠে এমন এক বিরল আবেগ রয়েছে, যা শ্রোতার মনে দীর্ঘ দিন থেকে যায়। ”
