দুবাইয়ে আটকে লারা দত্ত, আতঙ্কে দিন কাটছে অভিনেত্রীর, কী বার্তা দিলেন?
গত কয়েক বছর ধরে দুবাই লারার দ্বিতীয় বাড়ি হলেও, বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি তাঁকে কার্যত "নার্ভাস" ও "মানসিকভাবে বিধ্বস্ত" করে তুলেছে। একটি ব্র্যান্ডের কাজে দুবাইয়ে গিয়ে যুদ্ধের এই ভয়াবহ রূপের মুখোমুখি হতে হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েল-ইরান সংঘাতের আঁচ এবার সরাসরি এসে পড়ল বলিউড তারকা লারা দত্তর জীবনে। গত কয়েক বছর ধরে দুবাই লারার দ্বিতীয় বাড়ি হলেও, বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি তাঁকে কার্যত “নার্ভাস” ও “মানসিকভাবে বিধ্বস্ত” করে তুলেছে। একটি ব্র্যান্ডের কাজে দুবাইয়ে গিয়ে যুদ্ধের এই ভয়াবহ রূপের মুখোমুখি হতে হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি তিনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ের একটি স্টুডিওতে শুটিং চলাকালীন হাড়হিম করা অভিজ্ঞতার সাক্ষী হন লারা। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা স্টুডিওর ভেতরে কাজ করছিলাম, তখনই মাথার ওপর প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। তড়িঘড়ি বাইরে বেরিয়ে এসে দেখি আকাশের মাঝপথেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ধ্বংস (Intercept) করা হচ্ছে। গত কয়েকটা দিন যে কী প্রবল মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে কেটেছে, তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়।”
টেনিস তারকা মহেশ ভূপতির স্ত্রী লারা বর্তমানে তাঁর মেয়ে সায়রার সঙ্গে দুবাইয়ে রয়েছেন। ভাগ্যক্রমে মহেশ কাজের সূত্রে তখন শহরের বাইরে ছিলেন। লারা জানিয়েছেন, তাঁরা দুবাইয়ের একটি অত্যন্ত নিরাপদ এলাকায় ভিলাতে থাকলেও যুদ্ধের হাত থেকে রেহাই নেই। তাঁর কথায়, “মাথার ওপর দিয়ে যখন যুদ্ধবিমানগুলো উড়ে যায় এবং প্রচণ্ড শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে, তখন আমাদের বাড়ির জানলা-দরজা থরথর করে কাঁপতে থাকে। এটা অত্যন্ত ভয়ানক এক অনুভূতি।”
যদিও লারা জানিয়েছেন যে তিনি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তার অভাব বোধ করেননি, কিন্তু যুদ্ধের এই অনিশ্চয়তা তাঁকে অস্থির করে তুলেছে। বর্তমানে শুটিংয়ের কাজ দ্রুত শেষ করে মেয়েকে নিয়ে মুম্বইয়ের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন গুনছেন প্রাক্তন এই বিশ্বসুন্দরী।
