প্রেম দিবসে নতুন জীবনের মধুর শুরুওয়াত, সাত পাকে বাঁধা পড়লেন রণজয়-শ্যামৌপ্তি
প্রথাগত উজ্জ্বল হলুদ পোশাকে নয়, বরং সাদার ওপর হলুদের ছোঁয়া মাখা পোশাকে সেজেছিলেন দুজনে। গাঁদা ফুলে সাজানো মণ্ডপে যখন রণজয়ের কোলে চড়ে খুনসুটিতে মাতলেন শ্যামৌপ্তি, তখন উপস্থিত অভ্যাগতদের চোখে মুখেও ছিল হাসির ঝিলিক।

ক্যালেন্ডারের পাতায় আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি, প্রেমের দিন। আর এই বিশেষ দিনটিকেই নিজেদের জীবনের সবথেকে স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে বেছে নিলেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় জুটি রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলি। জল্পনা ছিল আগে থেকেই, আর আজ গোধূলি লগ্নে সেই জল্পনাতেই পড়ল শিলমোহর। দক্ষিণ কলকাতার এক অভিজাত হোটেলের বিলাসবহুল আসরে চার হাত এক হল এই মিষ্টি জুটির।
বিয়ের মূল অনুষ্ঠানের আগে শনিবার দুপুরে সম্পন্ন হয় তাঁদের গায়ে হলুদের পর্ব। প্রথাগত উজ্জ্বল হলুদ পোশাকে নয়, বরং সাদার ওপর হলুদের ছোঁয়া মাখা পোশাকে সেজেছিলেন দুজনে। গাঁদা ফুলে সাজানো মণ্ডপে যখন রণজয়ের কোলে চড়ে খুনসুটিতে মাতলেন শ্যামৌপ্তি, তখন উপস্থিত অভ্যাগতদের চোখে মুখেও ছিল হাসির ঝিলিক। হাতে শাঁখা-পলা আর আলতা রাঙানো পায়ে শ্যামৌপ্তির স্নিগ্ধতা যেন বসন্তের এক পশলা বাতাসের মতো ধরা দিয়েছে ক্যামেরায়।

সন্ধ্যা নামতেই বদলে যায় আসরের রং। গোধূলি লগ্নের মাহেন্দ্রক্ষণে চিরাচরিত বাঙালি সাজে ধরা দিলেন হবু দম্পতি। পরনে টকটকে লাল বেনারসি, কপালে চন্দনের কারুকার্য আর সাবেকি সোনার গয়না। এক্কেবারে পর্দার ‘মিষ্টি মেয়ে’ থেকে বাস্তবের কনে রূপে তাঁর রূপের ছটায় মুগ্ধ অনুরাগীরা। পাশে সাদা ধুতি আর পাঞ্জাবিতে রণজয় যেন এক আদর্শ বাঙালি বর।
বিয়ের প্রতিটি ছবিতে ধরা পড়েছে তাঁদের গভীর রসায়ন। কখনো চোখে চোখ রাখা, আবার কখনো লাজুক হাসি— সব মিলিয়ে রণজয়-শ্যামৌপ্তির রসায়ন যেন আজকের ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-কেও ছাপিয়ে গিয়েছে। টলিপাড়ার এই নতুন ইনিংস শুরু হতেই সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছার জোয়ার ভেসে আসছে ভক্তদের পক্ষ থেকে। সাফল্য আর ভালোবাসার এই নতুন পথ চলা শুভ হোক— এই কামনাই করছেন তাঁদের অগণিত অনুরাগী।
