Jailer 2: ‘জেলার ২’-এর সেটে বিপত্তি! রজনীকান্তের সামনে হঠাৎ কেন কাঁপতে শুরু করেন বিদ্যা?
Vidya Balan: রজনীকান্তের সঙ্গে 'জেলার ২' ছবিতে স্ক্রিন শেয়ার করছেন বিদ্যা বালান। প্রথম দিনের শুটিংয়েই মেগাস্টারের সামনে রীতিমতো অস্বস্তিতে অভিনেত্রী। শট দেওয়ার সময় হঠাৎ করেই থরথর করে কাঁপতে থাকে তাঁর হাত-পা! ভয় নাকি অন্য কিছু? আসল সত্যিটা খোলসা করলেন অভিনেত্রী নিজেই।

মেগাস্টার রজনীকান্তের (Rajinikanth) সামনে দাঁড়িয়ে থরথর করে কাঁপছেন খোদ বিদ্যা বালান (Vidya Balan)! চোখেমুখে স্পষ্ট অস্বস্তি, হাতে জ্বলন্ত সিগারেট। ‘জেলার ২’ ছবির প্রথম দিনের শুটিংয়েই ঘটেছিল ঠিক এমনটা। কিন্তু কেন? থালাইভার সামনে অভিনয় করতে গিয়েই কি ঘাবড়ে গিয়েছিলেন বলিউডের এই দাপুটে অভিনেত্রী? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ? সদ্য মুক্তি পাওয়া ট্রেলারে নীল শাড়ি, ছোট চুল আর হাতে সিগারেট ধরা বিদ্যার ‘কান্থা’ লুক ইতিমধ্যেই শোরগোল ফেলেছে। তবে এই দাপুটে লুকের পিছনের গল্পটা কিন্তু বেশ চমকপ্রদ।
কী ঘটেছিল প্রথম দিনের সেটে?
পরিচালক নেলসন সম্প্রতি জানান, প্রথম দিনের শুটিংয়ে বিদ্যা বেশ নার্ভাস ছিলেন। দৃশ্যটি মোটেও সহজ ছিল না। সেখানে রজনীকান্তের মুখে সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে হবে তাঁকে। নিখুঁত শট পেতে তিনবার টেক নিতে হয়। চূড়ান্ত শটেও বিদ্যার চোখেমুখে সেই অস্বস্তি ধরা পড়েছিল বলে জানিয়েছেন পরিচালক।
আসল সত্যিটা কী?
সবাই ভেবেছিলেন মেগাস্টারের সামনে কাজ করার চাপেই হয়তো ঘাবড়ে গিয়েছেন বিদ্যা। তবে এবার খোদ অভিনেত্রী ফাঁস করলেন আসল সত্যিটা। তিনি জানান, রজনীকান্তের জন্য তিনি মোটেই নার্ভাস ছিলেন না। আসলে তাঁর ‘নিকোটিন হাই’ বা কড়া সিগারেটের নেশা ধরে গিয়েছিল।
বিদ্যার কথায়, “আমি ভেবেছিলাম আমি ধূমপান করতে জানি। সেটে গিয়ে ঠিক শট দিয়ে দেব। কিন্তু প্রথম টেক নেওয়ার পরেই আমার হাত কাঁপতে শুরু করে। আমি রীতিমতো লজ্জায় পড়ে গিয়েছিলাম। সবাই ভেবেছিল রজনী স্যারের সামনে দাঁড়িয়ে আমি হয়তো নার্ভাস। কিন্তু সত্যি বলতে, আমি খুব উৎসাহ নিয়ে সেটে গিয়েছিলাম। হাত কাঁপতে শুরু করার পরেই আমি ঘাবড়ে যাই।”
ওই অস্বস্তিকর মুহূর্তের কথা মনে করে বিদ্যা আরও বলেন, “আমার মনে হচ্ছিল, আজকেই কি এমনটা হতে হল! তবে রজনী স্যার খুব ভালো মানুষ। তিনি প্রতিদিন আমাকে জিজ্ঞাসা করতেন, ‘তুমি ঠিক আছ তো?'” পরিচালক নেলসনও তাঁকে এই বিষয় নিয়ে অকারণে চাপ নিতে বারণ করেছিলেন।
এর আগে ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ ছবিতে সিল্ক স্মিতার চরিত্রে অভিনয়ের সময় ধূমপানের অভ্যাস তৈরি হয়েছিল বিদ্যার। চরিত্রটিকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে তাঁকে বাধ্য হয়েই সিগারেট ধরতে হত। সেই সময় দিনে দু-তিনটি সিগারেট খেলেও, পরে তা পুরোপুরি ছেড়ে দেন তিনি।
পর্দায় নারীদের ধূমপান নিয়ে বিদ্যার স্পষ্ট মত, “বর্তমানে ধূমপান করা মোটেও কোনও ‘কুল’ বিষয় নয়। বর্তমান প্রজন্মও সেটাই মনে করে। একসময় নারীদের ধূমপান করাটা এতটাই অগ্রহণযোগ্য ছিল যে, পর্দায় সেটাকে বিদ্রোহ বা পরোয়া না করার প্রতীক হিসেবে দেখানো হত। কখনও কখনও সেটা কাজে দিত, আবার কখনও বেশ অপ্রয়োজনীয় মনে হত।”
(সতর্কীকরণ: ধূমপান ক্যানসারের কারণ এবং স্বাস্থ্যের পক্ষে চরম ক্ষতিকারক। এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র খবর পরিবেশনের উদ্দেশ্যে লেখা। কোনওভাবেই ধূমপান বা তামাক সেবনকে উৎসাহ দেওয়া বা সমর্থন করা এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য নয়।)
