AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bollywood Controversy: হৃত্বিকের ওপর কেন চটলেন কঙ্গনা? বর্তমান প্রেমিকা সাবার প্রসঙ্গ টেনে ক্ষুব্ধ কঙ্গনা বললেন…

Hrithik Roshan, Kangana Ranaut: বলিউডের এক পুরনো বিতর্ক যে হঠাৎ এভাবে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে, তা হয়তো কেউই ভাবেননি! নেটপাড়ায় একটি নতুন ট্রেন্ড শুরু হতেই একে অপরের মুখোমুখি হৃত্বিক রোশন ও কঙ্গনা রানাওয়াত। অতীত মুছে হৃত্বিকের শান্ত জবাব, আর তাতেই সাবা আজাদের নাম টেনে কঙ্গনার পালটা তোপ। ঠিক কী ঘটেছে?

Bollywood Controversy: হৃত্বিকের ওপর কেন চটলেন কঙ্গনা? বর্তমান প্রেমিকা সাবার প্রসঙ্গ টেনে ক্ষুব্ধ কঙ্গনা বললেন...
কী ঘটেছে?
| Updated on: Aug 02, 2026 | 12:57 PM
Share

বলিউডের পুরনো বিতর্ক যে হঠাৎ এভাবে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে, তা হয়তো কেউই ভাবেননি! ২০১৬ সালের সেই আইনি যুদ্ধ আর একে অপরের প্রতি নানা অভিযোগের কথা আজও অনেকের মনে আছে। তবে সম্প্রতি এক নতুন ঘটনার সূত্র ধরে ফের সোশাল মিডিয়ায় মুখোমুখি হৃত্বিক রোশন ও কঙ্গনা রানাওয়াত।

কেন হঠাৎ চর্চায় পুরনো বিতর্ক?

ঘটনাটির শুরু এক রাজনৈতিক আলোচনাকে কেন্দ্র করে। সম্প্রতি ছাত্র আন্দোলন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিতর্কে জড়ান অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। এর মাঝেই সিজেপি (CJP) মুখপাত্র সৌরভ দাসকে ‘অকর্মণ্য’ ও ‘বেকার’ বলেন তিনি। পাল্টা জবাবে সৌরভ দাস একটি সাক্ষাৎকারে মজার ছলে বলেন, “আমার বন্ধুরা বলছে কঙ্গনা নাকি আমার ওপর রেগে আছেন কারণ আমাকে দেখতে নাকি কম বয়সের হৃত্বিক রোশনের মতো!”

সৌরভের এই বক্তব্য ভাইরাল হতেই নেটপাড়ায় শুরু হয় নতুন ট্রেন্ড, ‘উই নিড টু অ্যাপোলজাইজ টু হৃত্বিক’ (আমাদের হৃত্বিকের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত)। নেটিজেনদের বড় একটি অংশ হৃতিকের সমর্থনে কথা বলতে শুরু করেন। সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ফ্রেডি বার্ডিও ইনস্টাগ্রামে লেখেন, “গোটা বিশ্বের উচিত হৃত্বিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া।”

View this post on Instagram

A post shared by Freddy Birdy (@freddy_birdy)

কী ঘটেছিল ৮ বছর আগে?

২০১৬ সালে এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা হৃত্বিককে পরোক্ষভাবে নিজের ‘সিলি এক্স’ বলে দাবি করেন। তিনি জানান, তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ প্রেম ছিল এবং প্যারিসে হৃত্বিক তাঁকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। তবে হৃত্বিক এই পুরো বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি সাফ জানান, কঙ্গনার সঙ্গে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত সম্পর্ক কখনও ছিলই না। এমনকি তিনি বলেন, “পোপের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন রটার সম্ভাবনা থাকলেও কঙ্গনার সঙ্গে আমার প্রেমের খবর সত্যি নয়।” এরপরই শুরু হয় আইনি যুদ্ধ। হৃত্বিক দাবি করেন, কেউ তাঁর নাম করে ভুয়ো ইমেল আইডি থেকে কঙ্গনাকে বার্তা পাঠাত। পাল্টা নোটিস ও অভিযোগের ঝড়ে তখনকার দিনে শিরোনামে উঠে এসেছিল এই মামলা।

ফ্রেডি বার্ডির সাম্প্রতিক পোস্টে সাধারণ মানুষ যেভাবে আবার হৃত্বিকের পক্ষে দাঁড়াতে শুরু করেছেন, তা নিয়ে মুখ খোলেন খোদ হৃত্বিক। তবে তিনি কারও পাশে দাঁড়ানোকে সমর্থন জানাননি। কমেন্টে তিনি লেখেন, “কাউকে পছন্দ নয় বলেই অন্য জনের পক্ষে দাঁড়ানো আমাদের সমাজের বড় সমস্যা। আমি সঠিক তথ্য ও সঠিক সময়ের অপেক্ষা করব।”

হৃত্বিকের এই ধীরস্থির মন্তব্য দেখে রেগে যান কঙ্গনা। তড়িঘড়ি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে হৃত্বিক ও তাঁর বর্তমান সঙ্গিনী সাবা আজাদের ছবি দিয়ে কঙ্গনা লেখেন, “তুমি সাবা আজাদকে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছ দেখে ভালো লাগল। কিন্তু এমন এক সম্পর্কে থেকেও অন্য মহিলাকে এভাবে উত্যক্ত করা তোমাকে মানায় না। যারা তোমার নাম নিয়ে আমাকে ট্রোল করছে, তাদের বারণ করার বদলে তুমি আগুনে ঘি ঢালছ। নিজের সঙ্গীকে লজ্জিত না করে আশা করি তোমার শুভ বুদ্ধির উদয় হবে।”

Follow Us