৭৮ বছর বয়সে খুব বায়না করেন দীপঙ্কর, তাঁকে কীভাবে সামলান স্ত্রী দোলন?
Dolon Roy: TV9 বাংলাকে দোলন জানিয়েছিলেন, আউটডোরে দীপঙ্করকে একেবারে একা ছাড়েন না তিনি। সঙ্গে যান। হেল্ফ চেকআপ, ডায়েট নিয়ে সজাগ থাকতে হয়। তাঁর মন ভাল রাখতে হয়। দোলনের মনে হয় এটা তাঁর স্বামীর দ্বিতীয় শৈশব (সেকেন্ড চাইল্ডহুড)। বাচ্চাদের মতো স্বামীকেও সারাক্ষণ খুশি রাখেন তিনি।

বয়স বাড়লেই মানুষ শিশুর মতো হয়ে যান। যেমনটা হয়ে গিয়েছেন অভিনেতা দীপঙ্কর দে। ৭৮ বছর বয়স তাঁর। শরীরে নানারকম সমস্যাও রয়েছে। তাঁকে ২৪ ঘণ্টা আগলে রাখেন স্ত্রী দোলন। TV9 বাংলাকে দোলন জানিয়েছেন, কীভাবে তাঁর ‘শিশুসুলভ’ স্বামীকে সুস্থ রাখেন তিনি।
কিছুদিন আগেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন দীপঙ্কর দে। সেই সময় চলছিল একদিনের বিশ্বকাপ। হঠাৎই রাতে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায় (সুগার ফল)। সেই গভীর রাতেই দীপঙ্করকে নিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে। সঙ্গে-সঙ্গে আইসিইউতে ভর্তিও করা হয় তাঁকে। পরদিন সম্পূর্ণ চিকিৎসার মধ্যে থাকেন অভিনেতা এবং পরদিন তাঁকে বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়। তারপর থেকেই আরও বেশি তৎপরতা বেড়ে গিয়েছে দোলনের। তাঁর আদরের স্বামীকে সারাক্ষণই ভুলিয়া-ভালিয়ে রাখেন। হাজার একটা বায়না করেন দীপঙ্কর। খাদ্য রসিক স্বামীর এটা চাই, সেটা চাই। সবই পূরণ করেন দোলন। বলেছেন, “একটা বয়সে পৌঁছে গেলে মানুষের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মানসিক আনন্দ। সেদিকটা খুব বেশি গুরুত্ব দিতে হয়।” কীভাবে তাঁকে ভাল রেখেছেন দোলন?
TV9 বাংলাকে দোলন জানিয়েছিলেন, আউটডোরে দীপঙ্করকে একেবারে একা ছাড়েন না তিনি। সঙ্গে যান। হেল্ফ চেকআপ, ডায়েট নিয়ে সজাগ থাকতে হয়। তাঁর মন ভাল রাখতে হয়। দোলনের মনে হয় এটা তাঁর স্বামীর দ্বিতীয় শৈশব (সেকেন্ড চাইল্ডহুড)। বাচ্চাদের মতো স্বামীকেও সারাক্ষণ খুশি রাখেন তিনি।
