AI Laptop with Voice Control: আর কী-বোর্ড নয়, শুধু মুখে বলবেন আর চোখের পলকে আপনার সব কাজ করে দেবে এই ল্যাপটপ
NVIDIA AI PC With RTX Spark Chip: এই চিপের ক্ষমতা এতটাই যা দেখে ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই বলছেন, এবার থেকে সবার টেবিলেই থাকতে পারে একটা করে সুপার কম্পিউটার। এই জন্য মাইক্রোসফটের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে এনভিডিয়া। সুপার চিপের জন্য মাইক্রোসফট আবার উন্ডোজের নতুন ভার্সানও তৈরি করে ফেলেছে।

কলকাতা: নতুন ল্য়াপটপ কেনার কথা ভাবছেন? কিন্তু যদি আর কয়েকটা দিন অপেক্ষা করে যেতে পারেন তাহলে হয়তো হাতে এমন এক জিনিস পেতে পারেন তা বদলে দিতে না চেনা কম্পিউটার-ল্যাপটপের সংজ্ঞাটাই। কারণ, বাজারে আসছে বিশ্বের সবথেকে বড় মাইক্রো চিপ মেকার এনভিডিয়ার এআই পিসি। ইতিমধ্যেই নতুন চিপ বাজারে নিয়ে চলে এসেছে এনভিডিয়া। এবার মাইক্রোসফটের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে তৈরি হচ্ছে কম্পিউটার। হতে পারে এই পুজোতেই তা বাজারেও চলে আসবে।
ভারতের অর্থনীতির আয়তন যেখানে ১.১৫ ট্রিলিয়ন সেখানে এনভিডিয়ার একার মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন ৫.১৯ ট্রিলিয়ন। এই সংস্থা বর্তমানে ডেটা সেন্টার, জায়ান্ট ক্লাউড, রোবটিক্স, সুপার কম্পিউটারে ব্যবহার করার চিপ বানায়। সংস্থার সিইও সদ্য তাইওয়ানে পার্সোনালে কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য একটা নতুন এআই চিপ লঞ্চ করেছেন। তা নিয়েই যত শোরগোল। নাম আরটিএক্স স্পার্ক। যাকে বলা হচ্ছে একেবারে সুপার চিপ। যা নাকি বদলে দিতে চলেছে চেনা কম্পিউটারের সংজ্ঞাটাই।
এই চিপের ক্ষমতা এতটাই যা দেখে ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই বলছেন, এবার থেকে সবার টেবিলেই থাকতে পারে একটা করে সুপার কম্পিউটার। এই জন্য মাইক্রোসফটের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে এনভিডিয়া। সুপার চিপের জন্য মাইক্রোসফট আবার উন্ডোজের নতুন ভার্সানও তৈরি করে ফেলেছে। শোনা যাচ্ছে শুরুতে হয়তো এই প্রোডাক্ট লঞ্চ করবে ডেল।
কী থাকছে এতে?
এই ল্যাপটপে এআই চলতে পারবে ইন্টারনেট ছাড়াই। অর্থাৎ কোনও থার্ড পার্টি এআই অ্যাপ্লিকেশনের কোনও প্রয়োজনই থাকবে না। আপনার ল্য়াপটপ নিজে থেকেই সব কাজ করে দেবে। আপনাকে কী বোর্ডে কিছু টাইপ করতে হবে না। শুধু মুখে বললেই হবে। যাকে সোজা কথায় বলা হচ্ছে কমান্ড বেসড কম্পিউটিং থেকে ইন্সট্রাকশন বেসড কম্পিউটিংয়ে শিফট করে যাওয়া। ইমেল ড্রাফট থেকে ভিডিয়ো এডিটিং সবই হয়ে যাবে চোখের পলকে, অবলীলায়। একইসঙ্গে এনভিডিয়া এও বলছে তাঁদের এই চিপ এমনভাবে তৈরি যাতে ব্যাটারি ড্রেন হবে খুব দেরিতে। গরম হবে না মেশিন। অনেকেই বলছেন এই কম্পিউটার মার্কেটে এলে বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যেতে পারে অ্যাপেলের ম্যাকবুক। কারণ, নতুন এই উইন্ডোজ পিসিতে মাল্টি-টাস্কিং, গেমিং, ভিডিয়ো এডিটিং সবই হবে ম্যাকবুকের থেকে ভালো। কারণ, অ্যাপেল এখন যে চিপ ব্যবহার করে তার থেকে নাকি আরটিএক্স স্পার্ক অনেক অনেক উন্নত। এখন দেখার সময় কী বলে।
