Weight loss: ভারী কিছু তুলতে গেলে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে? ওবেসিটির কবলে পড়লেন না তো!

যদি নিয়মিত নতুন জামা কাপড় বা খুব বেশি পুরনো জামা কাপড় শরীরের সঙ্গে ফিট না হলে চিন্তার বিষয়। আর এটি আপনার জন্য সতর্ক সংকেতও বটে।

Weight loss: ভারী কিছু তুলতে গেলে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে? ওবেসিটির কবলে পড়লেন না তো!
ছবিটি প্রতীকী
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Sep 26, 2021 | 7:09 AM

গত কয়েক দশক ধরে নিভূতে স্থূলতা বা ওবেসিটি একটি মহামারির রূপ ধারণ করেছে। ভুলভাল খাওয়া-দাওয়া ও জীবনধারা অভ্যাসের কারণেই তৈরি হচ্ছে এই রোগ। ফিট হওয়া শুধউমাত্র আকর্ষণীয় দেখতেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি থেকে নিজেকে দূরে রাখাটাও দরকার। সবচেয়ে ভাল হল শরীরের ওজন বাড়ার আগেই নিজেকে যত্ন নিতে শুরু করা।

কিছু লক্ষণ রয়েছে, যেগুলি দেখে বুঝবেন আপনি ক্রমাগত ওবেসিটির কবলে পড়ছেন। সেই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলি জেনে নিন এখানে…

জামাকাপড় ফিট না হওয়া

এক বা দুই মাসের মধ্যে আপার ওজনের সামান্য ওঠানামা স্বাভাবিক। মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি তাদের মাসিক চক্রের মধ্যেই অন্তর্গত। যা মূলত হরমোনের পরিবরতন ও জল ধরে রাখার কারণে ঘটে থাকে। তবে যদি নিয়মিত নতুন জামা কাপড় বা খুব বেশি পুরনো জামা কাপড় শরীরের সঙ্গে ফিট না হলে চিন্তার বিষয়। আর এটি আপনার জন্য সতর্ক সংকেতও বটে। জামার বোতাম বন্ধ করতে অসুবিধা. জামার হাতায় হাত শক্ত করে এঁটে যাওয়া, জিনসের প্যান্ট ফিট না হওয়া- এগুলি কখনও হালকাভাবে নেবেন না।

পা ফুলে যাওয়া

অতিরিক্ত ওজন আপনার পা ও পায়ের স্নায়ুতন্ত্রের উপর চাপ সৃষ্টি করে। হৃদপিণ্ডে রক্ত সরবরাহের ক্ষেত্রেও অসুবিধা তৈরি হয়। আপনার ওজন যত বেশি হবে, সেক্ষেত্রে সঠিকভাবে রক্ত বহন করতে সক্ষম হয় না, ফলে পা ফুলে যায়। গুরুতর ক্ষেত্রে ওবেসিটিতে ভোগা ব্যক্তিদের শিরায় ক্লট থাকতে পারে। তাই ওজন বাড়ার কারণে তাঁদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বেশি থাকে।

ক্লান্তিবোধ

সবসময় ক্লান্তি অনুভব করছেন? গত কয়েক মাসে বেশ কি্ছুটা ওজন বেড়েছে কিনা তা নজরে রাখুন। যে ব্যক্তির ওজন বাড়ে, সে রাতে ভা ঘুমের পরেও সকাল থেকে ক্লান্ত বোধ করেন। এর কারণ হল, ওবেসিটি বা স্থূলতা রাতের বেলায় শ্বাস-প্রশ্বাসকে ব্যহত করে, যার ফলে স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত হন অধিকাংশ। রাতে নাক ডাকা, এমনকি মাঝে মাঝে জেগে ওঠার কারণে ঘুমের মানকে ব্যহত করে। ফলে দিনের বেলায় ক্লান্তবোধ করেন তাঁরা।

শ্বাসকষ্ট

অনেক রোগের সঙ্গে শ্বাসকষ্টের লক্ষণ সংযুক্ত। এর মধ্যে একটি হল ওজন বৃদ্ধি। অতিরিক্ত ওজনের মানুষজনের বুকের চারপাশে প্রচুর চর্বি জমে, যা শ্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা তৈরি করে। সাধারণ গৃহস্থালি কাজ করতে গেলেও শ্বাসকষ্ট অনুভব করতে শুরু করে। হাঁটাচলা বা ভারী ওজনের কিছু তুলতে গিয়েও শ্বাসকষ্টের মুখোমুখি হতে হয়। এমনকি শুয়ে থাকার সময়ও সঠিকভাবে শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়।

অনিয়মিত পিরিয়ড ও কোষ্ঠকাঠিন্য

মহিলাদের ক্ষেত্রে ওজন বৃদ্ধি হরমোনজনিত সমস্যার কারণে হতে থাকে। মাসিক চক্রকে ব্যাহত করে, পিরিয়ডের ব্যাথা সামলাতেও বেশি কষ্ট হতে পারে। তাছাড়া ওজন বাড়ার সঙ্গে নারী-পুরুষ উভয়েরই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা যায়। অনিদ্রা বা অগভীর ঘুম পেটের জম্য ভাল নয়। খাবার হজম করতে প্রক্রিয়াটি কঠিন করে তোলে। ফলে সকালে উঠেই কোষ্ঠকাঠিন্য অনুভব করে তাঁরা।

আরও পড়ুন: Home remedies for insomnia: পেঁয়াজ, মাখনা ও আরও কিছু ঘরোয়া টোটকায় ঠিক হবে অনিদ্রার সমস্যা!