AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

সংক্রান্তির হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় বাড়তে পারে সুগার, পিঠে-পুলি খাওয়ার আগে সাবধান

Diabetes-Winter: আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই ঋতুতে সর্দি-কাশি, জ্বরে পড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি এই ঠান্ডায় সতর্ক থাকতে হবে ডায়াবেটিসের রোগীদের। অনেকেই হয়তো জানেন না, শীতকাল ডায়াবেটিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ঋতু।

সংক্রান্তির হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় বাড়তে পারে সুগার, পিঠে-পুলি খাওয়ার আগে সাবধান
| Updated on: Jan 15, 2024 | 1:17 PM
Share

হাড় কাঁপানো হিমেল হাওয়া বইছে। মকর সংক্রান্তির পুণ্যতিথি জমিয়ে ঠান্ডা পড়েছে জলপাইগুড়ি থেকে কলকাতা সর্বত্র। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই ঋতুতে সর্দি-কাশি, জ্বরে পড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি এই ঠান্ডায় সতর্ক থাকতে হবে ডায়াবেটিসের রোগীদের। অনেকেই হয়তো জানেন না, শীতকাল ডায়াবেটিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ঋতু। শীত রক্তে শর্করার মাত্রার উপর প্রভাব ফেলে। এই মরশুমে সুগার লেভেলকে বজায় রাখা বেশ কঠিন।

শীতকালে যে সব কারণে সুগার লেভেল বাড়ে-

জাঁকিয়ে শীত পড়ায় বাড়ির বাইরে কমই বেরোনো হয়। বেরোলেও মাথা থেকে পা মুড়িয়ে বেরোতে হয়। পাশাপাশি শীত মানেই বাঙালির মধ্যে আলস্য কাজ করে। কাজ করার এনার্জি কমে যায়, শরীরচর্চার প্রতি অনীহা তৈরি হয়। শারীরিকভাবে সক্রিয় না থাকার কারণে সুগারও বাড়তে থাকে। পিঠে-পার্বণের মরশুমে খাওয়া-দাওয়া চলতেই থাকে। শীতকালে অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া সুগার বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। এছাড়া শীতকালে জল খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। ডিহাইড্রেশনও সুগারের লেভেল বাড়িয়ে দিতে পারে।

শীতে শরীরকে গরম রাখার জন্য ফ্যাটের প্রয়োজন পড়ে। তাই শীতকালে ওজনও দ্রুত বাড়ে। এই বিষয়গুলো ইনসুলিন সংবেদনশীলতা কমে যায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। অন্যদিকে, এই ঋতুতে দেহে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি তৈরি হয়। এই পুষ্টির ঘাটতিও সুগার লেভেল বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া হরমোনের ভারসাম্যহীনতাও রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী।

যে লক্ষণ দেখে বুঝবেন সুগার লেভেল বেড়েছে-

১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও যদি ঘাম হতে থাকে, বুঝবেন সুগার বেড়েছে। ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়া, ওজন বেড়ে যাওয়া, খিদে বেড়ে যাওয়া, ক্লান্তি ও শারীরিক দুর্বলতা সুগার বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ। সুগার বাড়লে আপনার হৃদস্পন্দনও বেড়ে যাবে, ঘন ঘন রোগে ভুগবেন, ছোটখাটো কাটাছেঁড়া চটজলদি শুকনো হবে না। সংক্রমণ আপনার পিছু ছাড়বে না, তার সঙ্গে চোখেও নানা সমস্যা দেখা দেয়।

এই শীতে কেমন হবে ডায়াবেটিকদের লাইফস্টাইল-

১) হাইড্রেশন জরুরি দিনে ৭-৮ গ্লাস জল পান করুন। প্রয়োজনে ঈষদুষ্ণ জল পান করতে পারেন। এছাড়া খালি পেটে মেথি ভেজানো জল পান খেতে পারেন। চা-কফি থেকে দূরে থাকুন।

২) জাঙ্ক ফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার, চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলুন। শীতের তাজা সবজি ও ফল খান। ভিটামিন সি ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান।

৩) ত্বকে ভাল মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। বিশেষত যত্ন নিন পায়ের পাতার। গোড়ালির ফাটলে বা কোনও ক্ষত তৈরি হলে তার যত্ন নিন। সুগার এই ধরনের ছোট ক্ষতও সহজে সারতে চায় না। শীতকালে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকলে এই ধরনের সমস্যা এড়াতে পারবেন।

৪) ঠান্ডা কারণে যদি বাড়ির বাইরে বেরোতে না পারেন, তাহলে ঘরের মধ্যেই ব্যায়াম করুন। ডায়াবেটিসের রোগীদের দিনে অন্তত ৩০-৪০ মিনিট শরীরচর্চা করা জরুরি।

৫) নিয়মিত সুগার লেভেল পরীক্ষা করান। ডায়াবেটিসের ওষুধ একদিনও বন্ধ করা চলবে না। এছাড়া ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা বশে চলে আসবে।

Follow Us