AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Uttar Pradesh: ‘বাবা, আমি মরতে চাই না’, চোখের সামনে পুত্রকে ডুবতে দেখলেন রাজকুমার

Youth died in road accident: গুরুগ্রামের একটি কোম্পানিতে কাজ করতেন বছর সাতাশের যুবরাজ। বছর দুয়েক আগে তাঁর মা মারা গিয়েছেন। আর বোন থাকেন ব্রিটেনে। যুবরাজের বাবা রাজকুমার বলেন, "ছেলে আমায় ফোন করে বলে, বাবা, আমি গভীর খাদে পড়ে গিয়েছি। তাতে জল ভরা। আমি ডুবে যাচ্ছি। আমাকে এসে বাঁচাও। আমি মরতে চাই না।"

Uttar Pradesh: 'বাবা, আমি মরতে চাই না', চোখের সামনে পুত্রকে ডুবতে দেখলেন রাজকুমার
গাড়ি-সহ খাদে পড়ে মৃত্যু হল যুবরাজ মেহতা নামে এক যুবকেরImage Credit: TV9 Bharatvarsh
| Updated on: Jan 18, 2026 | 5:25 PM
Share

নয়ডা: ‘দাদা আমি বাঁচতে চাই’। ‘মেঘে ঢাকা তারা’ সিনেমায় চিৎকার করে দাদার কাছে আকুতি জানিয়েছিলেন বোন। বাস্তবে যেন তারই প্রতিচ্ছবি দেখা গেল উত্তর প্রদেশের নয়ডায়। দুর্ঘটনাগ্রস্ত যুবক ফোন করে বাবাকে বললেন, “আমি মরতে চাই না। বাবা তুমি এসে আমাকে বাঁচাও।” অবশ্য পুত্রকে বাঁচাতে পারলেন না বাবা। গাড়ি-সহ জলে ডুবে মৃত্যু হল যুবকের। মৃতের নাম যুবরাজ মেহতা। চোখের সামনে পুত্রকে হারিয়ে শোকাহত বাবা রাজকুমার মেহতা বললেন, সবরকম চেষ্টা করেও ছেলেকে বাঁচাতে পারলেন না তিনি।

দুর্ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডার সেক্টর ১৫০-এ। শুক্রবার রাতে অফিসে কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন যুবরাজ। কিন্তু, ঘন কুয়াশায় কার্যত কিছু দেখতে পাচ্ছিলেন না। রাস্তার ধারে রেলিংও ভাঙা ছিল বলে অভিযোগ। তাঁর গাড়ি ৭০ ফুট গভীর কাদা-জল ভর্তি খাদে পড়ে যায়। কোনওরকমে গাড়ির ছাদে উঠে পড়েন যুবরাজ। সেখান থেকেই তাঁর বাবাকে ফোন করেন।

যুবরাজের বাড়ি বিহারে। পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। গুরুগ্রামের দুনহাম্বিতে একটি কোম্পানিতে কাজ করতেন বছর সাতাশের যুবরাজ। বছর দুয়েক আগে তাঁর মা মারা গিয়েছেন। আর বোন থাকেন ব্রিটেনে। যুবরাজের বাবা রাজকুমার বলেন, “ছেলে আমায় ফোন করে বলে, বাবা, আমি গভীর খাদে পড়ে গিয়েছি। তাতে জল ভরা। আমি ডুবে যাচ্ছি। আমাকে এসে বাঁচাও। আমি মরতে চাই না।” ছেলের ফোন পেয়েই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাজকুমার। পুলিশ এবং দমকলকেও ফোন করেন। ১৫ মিনিটের মধ্যে সবাই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাজকুমারের অভিযোগ, “আমার ছেলেকে তুলে আনার মতো যন্ত্রপাতি ছিল না তাদের কাছে।”

৫ ঘণ্টা পর যুবরাজকে যখন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কান্নায় ভেঙে পড়ে রাজকুমার বলেন, “ছেলেকে বাঁচাতে আমার সাধ্যমতো সবরকম চেষ্টা করেছিলাম।” যুবরাজের পরিবার অভিযোগ দায়ের করেছে। রাজকুমারের অভিযোগ, রাস্তায় রিফ্লেক্টর ছিল না এবং সার্ভিস রোডের ড্রেনও ঢাকা ছিল না। থাকলেও হয়তো তাঁর মেধাবী পুত্রকে অকালে চলে যেতে হত না।