AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Annapurna Bhandar: এবার অন্নপূর্ণার টাকা পেতে পারেন কাকলিদের হাত ধরেও, আর একটা দরজা খুলে দিল শুভেন্দুর সরকার

Satabdi Roy: সাংসদ বলেন, "খুব ভাল মিটিং হয়েছে। আমাদের এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেছেন কতগুলো রাস্তা করা হবে, কতগুলো ICDS সেন্টার করা হবে, আবার অনেকে আছেন যাঁরা অন্নপূর্ণা ভান্ডারে আবেদন করেছেন অথচ পাননি, সেই রকম ৫০০০ জনের সুপারিশ এক-একজন সাংসদ করতে পারবেন।"

Annapurna Bhandar: এবার অন্নপূর্ণার টাকা পেতে পারেন কাকলিদের হাত ধরেও, আর একটা দরজা খুলে দিল শুভেন্দুর সরকার
বড় সুযোগ অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়েImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 04, 2026 | 5:15 PM
Share

নয়া দিল্লি: দিল্লির বঙ্গভবনে NCPI সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা উত্তরের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে বাকি সাংসদরা। দীর্ঘ প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। সেই বৈঠকে NCPI সাংসদদের মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা বাংলার উন্নয়ন আরও জোরদার করতে হবে। জায়গায়-জায়গায় পৌঁছে দিতে হবে সরকারি সব সুযোগ সুবিধা। আর এই পর্যায়ে ফের একবার উঠল অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ। যে সকল এলাকায় মহিলারা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি, তাঁদের জন্য ফের বড় সুযোগ দিল শুভেন্দুর সরকার। এ দিন, NCPI সাংসদের সঙ্গে বৈঠকের সময় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, প্রত্যেক সাংসদ (NCPI) পিছু ৫০০০ করে অন্নপূর্ণা যোজনার সুযোগ দেওয়া হবে।

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। অনেক উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে যেমন টাকা ঢুকেছে, তেমনই অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি। সেই রকমই প্রত্যেক সাংসদ (NCPI) পিছু ৫০০০ করে অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পের সুযোগ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অর্থাৎ, এই কুড়িজন যে যে এলাকার সাংসদ, সেই সংসদীয় কেন্দ্রে যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি, তেমনই ৫০০০ জন পাবেন টাকা।

আজ বৈঠকের পরে সংবাদ-মাধ্যমের মুখোমুখি হন শতাব্দী রায়। তখনই তিনি অন্নপূর্ণা ভান্ডারের বিষয়টি তুলে ধরেন। শুভেন্দুর সঙ্গে হওয়া বৈঠক ভীষণ ভাল হয়ে উল্লেখ করে সাংসদ বলেন, “খুব ভাল মিটিং হয়েছে। আমাদের এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেছেন কতগুলো রাস্তা করা হবে, কতগুলো ICDS সেন্টার করা হবে, আবার অনেকে আছেন যাঁরা অন্নপূর্ণা ভান্ডারে আবেদন করেছেন অথচ পাননি, সেই রকম ৫০০০ জনের সুপারিশ এক-একজন সাংসদ করতে পারবেন।”

সূত্রের খবর এ দিন কুড়িজন সাংসদরা মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, তৃণমূলের পরিচয় থেকে বেরিয়ে এলেও নিচুতলার বিজেপি কর্মীদের সহযোগিতা এখনও তাঁরা পাচ্ছেন না। আগের মানসিকতা নিয়েই তাঁদের বিরুদ্ধে যাচ্ছেন নিচু তলার কর্মীরা। পুলিশ প্রশাসনের থেকেও যথেষ্ঠ সহযোগিতা মিলছে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে বৈঠকে বলে সূত্রের খবর। অভিযোগ উঠছে এলাকায় যেতে পারছেন না জগদীশ বসুনার মতো সাংসদ। এমতাবস্থায়, সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ আরও বাড়াতেই কি এই সুযোগ করে দেওয়া হল NCPI- সাংসদদের? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।

Follow Us