
জয়পুর: প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেশজুড় উচ্ছ্বাস। এই প্রথমবার রাজধানীর রাজপথে সেনার সঙ্গে কুচকাওয়জে সঙ্গী হবে চার পেয়েরাও। প্রজাতন্ত্র দিবসে কর্তব্যপথে নিজেদের কর্তব্যের কথা তুলে ধরবে তারা। দেশি কুকুর থেকে লাদাখের উট। থাকবে শিকারি পাখিও। এত গেল দিল্লির কথা।
প্রজাতন্ত্র দিবস তো রাজধানী পর্যন্ত সীমিত নয়। দেশের সকল ছোট-বড় শহরেই দেখা যায় কুচকাওয়াজের আয়োজন। এমনই আয়োজন দেখা যাবে রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরেও। রোদচশমা চোখে, পথে নামবে কে-নাইন কুকুর। ভারতীয় সেনার অন্যতম সারমেয়দের ব্যাটালিয়ন। জয়পুরের কুচকাওয়াজের জন্য এই ভাবেই চলছে প্রশিক্ষণ।
ভারতীয় সেনার বিশেষ ব্যাটালিয়ন এই কে-নাইন ইউনিট। যা তৈরি হয়েছে কুকুরদের নিয়ে। এক কথায় সেনা-কুকুর। যারা শুধুমাত্র ভারতীয় সেনার সঙ্গী এমনটা নয়। দেশজুড়ে বিএসএফ, সিআরপিএফ, সিআইএসএফ, এমনকি পুলিশের সঙ্গী হিসাবে কাজ করে কে-নাইন ইউনিট। মূলত টহলদারি ও তল্লাশির কাজেই এই কে-নাইন ইউনিটকে ব্যবহার করে থাকেন নিরাপত্তারক্ষীরা।
৭৮ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজেও দেখা যাবে এই কে-নাইন ব্যাটালিয়নের কুকুরগুলিকে। রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরের মহল রোড হাঁটবে তারা। অবশ্য মহল রোডে যখন হাঁটবে কে-নাইন। সেই সময় কর্তব্যপথে নামবে চার পেয়েদের সেনা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দু’টি ব্যাকট্রিয়ান উট, চারটি জাংস্কার প্রজাতির ঘোড়া, চারটি শিকারি পাখি, দশটি দেশি সেনা-কুকুর। এছাড়াও থাকবে আরও ছয়টি বিদেশি প্রজাতির সেনা-কুকুর।
সাম্প্রতিককালে সেনায় সারমেয় বাড়ানোর ক্ষে্ত্রে বিশেষ জোর দিয়েছে নয়াদিল্লি। বিশেষ করে জোর দেওয়া হয়েছে দেশি কুকুরের নিয়োগে। পূর্বে কে-নাইন ইউনিটে থাকা কুকুরগুলির বেশির ভাগটাই ছিল বিদেশি প্রজাতি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আত্মনির্ভর ভারত গড়তে সেই সিদ্ধান্তে বদল আনেন। সেনায় বাড়ে দেশি কুকুরের নিয়োগ। জায়গা পায় মুঘল হাউন্ড, রামপুর হাউন্ড-সহ একাধিক দেশি প্রজাতির কুকুর।