Supreme Court: ‘পাকিস্তানি’ বলায় মামলা, কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?
Supreme Court: ঝাড়খণ্ডের উর্দু অনুবাদক এবং তথ্যের অধিকার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত এক ক্লার্ক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, তথ্য জানার অধিকার আইনের কিছু তথ্য জানাতে তিনি নিজে অভিযুক্তের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে তাঁর কাছ থেকে নথি নিতে অস্বীকার করেন।

নয়াদিল্লি: সরকারি কর্মীকে ‘পাকিস্তানি’ বলার অভিযোগ। তা নিয়ে মামলাও হয়েছিল। সেই মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, কাউকে ‘মিঁয়া-তিয়ান’ কিংবা ‘পাকিস্তানি’ বলা নিম্ন রুচিবোধের পরিচয়। কিন্তু, কখনই তা ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে না। মামলাটি ক্লোজ করে দিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ।
ঝাড়খণ্ডের উর্দু অনুবাদক এবং তথ্যের অধিকার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত এক ক্লার্ক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, তথ্য জানার অধিকার আইনের কিছু তথ্য জানাতে তিনি নিজে অভিযুক্তের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে তাঁর কাছ থেকে নথি নিতে অস্বীকার করেন। এরপর তাঁর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দিয়ে মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ।
বছর চারেক আগে ঘটা ওই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সেইসময়ের ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। তার মধ্যে ছিল ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ। শান্তিভঙ্গে উস্কানির অভিযোগ। সরকারি কর্মীকে কাজে বাধাদানের অভিযোগ। সেইসব অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতে প্রথমে দায়রা আদালত তারপর ঝাড়খণ্ড আদালতের দ্বারস্থ হন অভিযুক্ত ব্যক্তি। সেখানেও অভিযোগ থেকে মুক্ত না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।
কয়েকদিন আগে মামলাটি ক্লোজ করে সুপ্রিম কোর্ট বলে, “সরকারি কর্মীকে মিয়াঁ-তিয়ান এবং পাকিস্তানি বলে মন্তব্য করায় আবেদনকারীর বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিসন্দেহে এই ধরনের মন্তব্য খুবই নিম্ন রুচিবোধের পরিচয়। তবে তা ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেনি।” অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তি পেলেন বছর আশির ওই ব্যক্তি।

