Election New Rules: প্রার্থীর ক্রিমিনাল রেকর্ড থাকলে করতেই হবে এই কাজ, নতুন নিয়ম নির্বাচন কমিশনের
Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনী ডিউটি নিয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী ডিউটিতে কর্মীদের ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কড়া নিয়ম জারি করা হয়েছে। এ দিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে স্বেচ্ছাসেবী বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ব্যবহার করা যাবে না।

নয়া দিল্লি: ঘোষণা হয়ে গেল লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। আর তার সঙ্গেই জারি হল নতুন নিয়ম। এবারের লোকসভা নির্বাচনের জন্য একাধিক নতুন নিয়ম ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এ দিন জাতীয় নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানান, কোনও দল যদি অপরাধের ইতিহাস থাকা কাউকে প্রার্থী করে, তবে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাতে হবে। পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক বা স্বেচ্ছাসেবী কোনও কর্মীকে নির্বাচনে ব্যবহার করা যাবে না।
এ দিন লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার পাশাপাশিই নির্বাচন সংক্রান্ত একাধিক বিধিও ঘোষণা করেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। এর মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল প্রার্থীর ক্রিমিনাল ব্যাকগ্রাউন্ড বা অপরাধের ইতিহাস থাকলে, তা সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানাতে হবে। তিনবার বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে তাঁদের।
পাশাপাশি, রাজনৈতিক দলগুলিকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন অপরাধের ইতিহাস থাকা কাউকে নির্বাচনে প্রার্থী করা হল, তার বদলে অন্য কাউকে কেন সুযোগ দেওয়া হল না, তার কারণ দর্শাতে হবে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকে।
নির্বাচনী ডিউটি নিয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী ডিউটিতে কর্মীদের ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কড়া নিয়ম জারি করা হয়েছে। এ দিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে স্বেচ্ছাসেবী বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ব্যবহার করা যাবে না।
তারকা প্রচারকদের নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন দিতে হবে। তারকা প্রচারক বা বড় বড় প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের তরফে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইনের নোটিস দিতে হবে। তারা নির্বাচনী প্রচারে যেন ঘৃণামূলক মন্তব্য না করেন এবং বিপক্ষ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আক্রমণ না করেন, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়।
একইসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকেও নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কোনও দলের তরফে যদি সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়া হলে, তা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে হবে। কসভা নির্বাচনের প্রচারে কোনওভাবে শিশুদের ব্যবহার করা যাবে না। কড়া নির্দেশ কমিশনের। এর পাশাপাশি আর্থিক লেনদেনের যাবতীয় ডিজিটাল রেকর্ডও থাকবে কমিশনের কাছে।
